।। এ এইচ এম সায়েদুজ্জামান।।
বাংলাদেশের রাজনীতির পাঠ যে কেউ পড়লে একটি সত্য বারবার তাকে ছুঁয়ে যায়—এই দেশে কিছু মানুষ আছে, যারা দলমত, মতাদর্শ, ক্ষমতা কিংবা বিরোধিতার বাইরে উঠে “জনগণের আবেগ” হয়ে ওঠে। সে রকমই এক ব্যক্তিত্ব— আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবর্তনের এক দীর্ঘ অধ্যায়, ত্যাগ-সংগ্রাম-নির্যাতন ও আত্মমর্যাদার এক চলমান প্রতীক। আজ তিনি সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর দেশের মানুষ—রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, বিরোধী দল, সাধারণ নাগরিক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী- অভিভাবক, শ্রমজীবী, পেশাজীবী—সবাই এক হয়ে তাঁর জন্য প্রার্থনা করছেন।
এই দৃশ্য শুধু আবেগের নয়। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক চেতনাকে, মানুষের মনস্তত্ত্বকে, এবং একজন আপসহীন নেত্রীর প্রতি জাতির অন্তর্নিহিত শ্রদ্ধাকে নতুন করে সামনে নিয়ে আসে।
স্বাধীনতার পরবর্তী বাংলাদেশ ছিল এক অনিশ্চিত ও অস্থির রাজনৈতিক সময়কাল। সামরিক শাসন, রাজনৈতিক হত্যা, ক্ষমতার পালাবদল এবং দমন-পীড়নে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র তখন কাঁপছিল। এমন বাস্তবতায় খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় একেবারেই ভিন্ন ও কঠিন পটভূমি থেকে। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ছিলেন একজন গৃহিণী; রাজনীতি তাঁর জীবনের কোনো স্বপ্ন বা পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু ইতিহাস প্রায়ই এমন মানুষকে সামনে ঠেলে দেয়, যারা নিজে রাজনীতির জন্য তৈরি হন না, বরং সময় তাঁদের ব্যবহার করে। খালেদা জিয়ার অবস্থাও ছিল তেমন।
১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ড শুধু একজন রাষ্ট্রপতির মৃত্যু ঘটায়নি; তার সঙ্গে সঙ্গে একটি পরিবার, একটি রাজনৈতিক দল এবং দেশের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠীর স্বপ্নও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যু বেগম খালেদা জিয়াকে মুহূর্তেই রাজনৈতিক প্রতীক বানিয়ে দেয়। শোকের ভার কাঁধে নিয়েই তাঁকে দাঁড়াতে হয় সেই বিশাল নেতাশূন্য দলের সামনে। সময়ের চাপে তিনি শুধু দলের নেতৃত্বই গ্রহণ করেননি; বরং পুরো বিরোধী রাজনৈতিক সংগ্রামের মুখ হয়ে ওঠেন।
এরপর শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ লড়াই—সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে, স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য। রাজপথে বারবার গণগ্রেপ্তার, গৃহবন্দিত্ব, মামলা-হামলার ভেতর দিয়েও তিনি সামনে এগিয়েছেন। ক্ষমতার বাইরে থেকেও তিনি ছিলন বিরোধী রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু; আর ক্ষমতায় থাকাকালীন ছিলেন কঠোর প্রশাসনিক দক্ষতার প্রতীক। তাঁর রাজনৈতিক পথচলায় দৃশ্যমান ছিল আত্মবিশ্বাস, আপসহীনতা এবং অদম্য সংগ্রামী মনোভাব।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা শুধু একজন নারী নেতৃত্বের প্রতীক নয়, বরং প্রতিকূলতা জয় করে উঠে দাঁড়ানোর এক অনন্য সাহসিকতার দলিল। ব্যক্তিগত বেদনাকে শক্তিতে রূপান্তর করে যে নেতৃত্ব তিনি দেখিয়েছেন, সেটিই তাঁকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তিনি তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হন। ইতিহাস বলছে—বাংলাদেশের নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু ক্ষমতার বাইরে থেকে তাঁর সংগ্রাম আরও কঠিন ছিল। জেল-জুলুম, মামলা, রাজনৈতিক চাপ, পরিবারের ওপর ব্যক্তিগত ক্ষত—সব কিছুই তাঁকে তাড়া করেছে।
বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অকালমৃত্যু ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে গভীর ক্ষতগুলোর একটি। বিদেশে থাকা বড় ছেলে তারেক রহমান শেষবার মায়ের কাঁধে মাথা রাখতে পারেননি। রাজনৈতিক অস্থিরতা, মামলা এবং বহুক্লান্ত আইনি প্রক্রিয়ার জটিলতায় তার দেশে ফেরা সম্ভব হয়নি। এই অনুপস্থিতির ব্যথা শুধু ব্যক্তিগত নয়—এটি ছিল এক মায়ের মর্মান্তিক নিঃসঙ্গতার ইতিহাস।
তারেক রহমানকে এক-এগারোর সরকার দেশের রাজনৈতিক মহলে বিতর্কিত একটি অধ্যায়ের জন্ম দেয়। তাকে জুলুম-নির্যাতনের মুখোমুখি করা হয়েছিল এবং চিকিৎসার অজুহাতে বাধ্য করা হয়েছিল দেশ ছাড়তে। আর সে সময় দেশে একা ছিলেন খালেদা জিয়া—রাজনৈতিক অস্থিরতা, মামলা, গ্রেপ্তার এবং প্রতিপক্ষের কঠোর রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভেতর। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি যে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছিলেন, তা ছিল প্রহসনমূলক এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা-প্রণোদিত।
ব্যক্তিগত শোক, সন্তানহারা মায়ের নিঃস্বতা, বড় সন্তানের অনুপস্থিতি—সব কিছুকে পেছনে ফেলেও তিনি থামেননি। রাজনৈতিক আদর্শ ও দলের প্রতি দায়িত্ব তাঁকে বারবার রাজপথে ফিরিয়ে এনেছে। একদিকে বন্দিত্ব, অন্যদিকে অসুস্থতা—তারপরও তাঁর সংগ্রাম থেমে যায়নি। এটাই তাঁর চরিত্রের কঠোরতা, এটাই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অদম্য অধ্যায়।
অনেক পর্যবেক্ষক বলেন, তিনি চাইলে আপস করে আরাম-আয়েশের জীবন বেছে নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। তাঁর রাজনৈতিক আচরণে বারবার দেখা গেছে—আপসহীনতা, দৃঢ়তা এবং রাজনৈতিক আদর্শে অবিচল থাকার বিরল উদাহরণ।
আর এই “আপসহীন” পরিচয়ই আজ তাঁকে এক অনন্য প্রতীক বানিয়েছে।
গত কয়েক দিন ধরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউর সামনে ভিড়। শুধু বিএনপির নয়—সব দলের, সব শ্রেণির।
কেউ ফুল নিয়ে আসে, কেউ দোয়া করে, কেউ কোরান শরীর তেলাওয়াত করছেন, কেউ মোনাজাতে মগ্ন, কেউ নীরবে বসে থাকে আপডেট শোনার অপেক্ষায়। জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে যে নেতাদের মধ্যে দীর্ঘদিন তীব্র বিভাজন ছিল—তারাও আজ এসেছেন খোঁজ নিতে।
রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা—সবাই তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।
একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে এত বড় জাতীয় ঐক্য—বিরল। এটি শুধু ব্যক্তিগত মানবিক মায়া নয়; এটি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতি জাতির নিরপেক্ষ ও গভীর স্বীকৃতি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলেন—খালেদা জিয়া এখন শুধু বিএনপির নেত্রী নন; তিনি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক “মুরব্বি”, এক অভিভাবক, যার দিকে সবাই তাকিয়ে থাকে। তাঁর সিদ্ধান্ত, তাঁর পরামর্শ এবং তাঁর অবস্থান—আজও দেশের সব রাজনৈতিক শক্তির কাছে তাৎপর্যপূর্ণ।
খালেদা জিয়ার সংকটাপন্ন হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোয়ায় ভরে উঠেছে টাইমলাইন।
অনেকে লিখছেন—“রাষ্ট্রকে আমরা যেভাবেই দেখি না কেন, খালেদা জিয়াকে আমরা একজন জননন্দিত নেত্রী, একজন সংগ্রামী রাজনীতিক, একজন মমতাময়ী মা হিসেবেই দেখি।”
পথচারী, রিকশাচালক, দোকানদার, শিক্ষার্থী—সবার কথায় আজ একই দোয়া— “আল্লাহ, ওনাকে আরোগ্য দিন।”বিভক্ত রাজনৈতিক দেশে এ এক বিরল দৃশ্য।
যেখানে রাজনীতির মাঠে মানুষ ভিন্নমত নিয়ে লড়াই করে, সেখানে অসুস্থতার মুহূর্তে সবাই যে এভাবে এক হয়ে যায়—এটি মানুষের ভেতরের মানবতা ও শ্রদ্ধারই বহিঃপ্রকাশ। এ এক “আবেগের ঐক্য”।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে বহু নেতা হয়েছেন, কিন্তু সবাই “অভিভাবকের” মর্যাদা পান না। বেগম খালেদা জিয়া তা পেয়েছেন—তাঁর স্থির সিদ্ধান্তের কারণে।তাঁর ত্যাগের কারণে। গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য ৪০ বছরের সংগ্রামের কারণে। তিনি স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। তিনি দেশে গণতন্ত্রের জন্য অনেক ঝুঁকি নিয়েছেন। তিনি কারাবরণ করেছেন, অপমান সহ্য করেছেন, রাজনীতি থেকে সরানোর নানা প্রচেষ্টা মোকাবিলা করেছেন।
এমনকি অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি কখনো দেশ ছাড়েননি। বারবার বলেছেন—“এই দেশ আমার, আমি দেশ ছেড়ে যাব না।”এমন দৃঢ়তার উদাহরণ রাজনীতিতে খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যান— বিএনপি, সরকারের প্রতিনিধিরা, জামায়াত,গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক পার্টি, পেশাজীবী সংগঠন, ইসলামি বক্তারা,ছাত্র সংগঠন, সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতারা
এ যেন এক অদ্ভুত দৃশ্য—যে নেত্রীকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিভাজন তৈরি হয়েছিল, আজ তাঁর অসুস্থতার মুহূর্তে আবার ঐক্য তৈরি হচ্ছে। দল-মত ভুলে সবাই তাঁর প্রতি সম্মান দেখাচ্ছে। এটি প্রমাণ করে—তিনি এখন “বিতর্কের ঊর্ধ্বে”। বাংলাদেশের মানুষ আবেগপ্রবণ। কষ্টে মানুষ এক হয়, মানবিকতার জায়গায় ভেদাভেদ ভুলে যায়। বেগম খালেদা জিয়ার শয্যার পাশে এই আবেগ আরও স্পষ্ট।
কেন?
কারণ তিনি এমন একজন আপসহীন নেত্রী—যিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্মৃতির একটি বড় অংশ।যিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন- পরিবার হারিয়েছেন, প্রিয়জন হারিয়েছেন। যিনি অসুস্থ অবস্থাতেও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি। এমন নেত্রী যখন সংকটাপন্ন হয়ে হাসপাতালে শুয়ে আছেন—বাংলাদেশ অবশ্যই আবেগে ভাসবে।
রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাঁর চিকিৎসায় সর্বোচ্চ সহায়তার কথা বলা হয়েছে। এটি ইতিবাচক। কারণ তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের বাইরে হিউম্যানিটির জায়গা রয়েছে। তিনি শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নন, দেশের রাজনৈতিক স্মৃতির একজন জীবন্ত অধ্যায়।
কিন্তু এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন—একজন অসুস্থ মানুষকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া, এবং তাঁর সুস্থতা কামনা করা।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব, জনগণের আবেগ এবং মানবিক মূল্যবোধ—সবই এখন এক বিন্দুতে এসে দাঁড়িয়েছে।
এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক বৃদ্ধ কৃষকের মুখে আমি শুনেছিলাম—“আমরা রাজনীতি বুঝি না, কিন্তু ওনি ভালো মানুষ। আল্লাহ ওনাকে আরোগ্য দিক।”
শিক্ষক নেতা মো: জাকির হোসেন তার বক্তব্যে বলেছেন – বেগম খালেদা জিয়া ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকে, দেশে থাকে গনতন্ত্র, তিনি হাসলে দেশ হাসে, গনতন্ত্রের পথ সুগম হয়।
একজন নারী গৃহশ্রমিক বলছিলেন— “ওনি মায়ের মতো। দোয়া করি যেন সুস্থ হয়ে ওঠেন। ”ছাত্ররা দোয়া মাহফিল করছে। মসজিদে নামাজের পর ইমাম দোয়া করছেন। মন্দির, গির্জায় তাঁর সুস্থতার প্রার্থনা হচ্ছে।
এই বিশাল আবেগ এক দিনে তৈরি হয়নি। এটি দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক উপস্থিতি, মানুষের জীবনের সঙ্গে নেত্রীর সংযোগ, এবং তাঁর ব্যক্তিগত ত্যাগের প্রতি জনমনের অভিব্যক্তি।
বেগম খালেদা জিয়া আজ কথা বলতে পারছেন না।তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে পারছেন না। কাউকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন না। কিন্তু তাঁর নীরবতাই আজ রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী বার্তা।
জাতি বুঝতে পারছে—তিনি এখনও একজন “প্রতীক”, একজন “বটবৃক্ষ”, একজন “মুরব্বি”,
একজন “অভিভাবক”। এটি কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়—এটি মানুষের হৃদয়ের ভাষা।
আজকের বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজন তীব্র।
কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা প্রমাণ করছে—মানুষের অন্তরে মানবতা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার জায়গা আছে।
এমনকি কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার মাঝেও একজন নেত্রীর প্রতি সম্মিলিত শ্রদ্ধা দেশে আশার আলো দেখায়।
হাসপাতালের সিসিইউতে শুয়ে আছেন একজন অশীতিপর নারী। কিন্তু তাঁর চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে একটি জাতির ভালোবাসা, প্রার্থনা ও অশ্রু।
আজ দেশ নত— রাজনীতির অভিভাবকের সুস্থতার জন্য। জাতির দোয়া একাকার—“আল্লাহ, আমাদের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সুস্থ করে দিন।”
এটাই আজকের বাংলাদেশের আবেগ। এটাই জাতির সামষ্টিক প্রার্থনা। এটাই একজন আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ভালোবাসার সত্যিকারের প্রকাশ।
লেখা : শিক্ষক ও গবেষক।
শিক্ষাবার্তা /এ/৩০/১১/২০২৫
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
