এইমাত্র পাওয়া

সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি: শিক্ষা সচিবসহ পাঁচ জনকে আইনি নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ঢাকার সরকারি সাত কলেজ ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ইস্যুতে শিক্ষা সচিবসহ পাঁচজনকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং বিচার বিভাগ পৃথককরণে ‘রাষ্ট্র বনাম মাসদার হোসেন মামলাখ্যাত’ মো. মাসদার হোসেন নোটিশটি পাঠিয়েছেন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।

ঢাকা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিমউল্লাহ খোন্দকার, শিক্ষা ক্যাডারের সাবেক অধ্যাপক মোহাম্মদ কফিল উদ্দীন ও শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নাসরিন বেগমের পক্ষে তিনি এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) এ নোটিশ পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) আইনজীবী মাসদার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাত কলেজের ঐতিহ্য নষ্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিলের উদ্যোগ এবং সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত করা সংবিধানবিরোধী বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নারী শিক্ষার সংকোচন, কর্মসংস্থান নষ্টসহ নানা ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ ও সদস্য অধ্যাপক তানজীমউদ্দীন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার।

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাতটি কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র বিদ্যমান খসড়া অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন করা হলে স্বতন্ত্র ও ঐতিহ্য হারাবে। তাছাড়া কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশাও ভিন্ন। আর প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় হলে ঢাকায় উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে। এসব কারণে ঢাকা কলেজসহ অন্যান্য কলেজের স্বতন্ত্র ও ঐতিহ্য রক্ষার দাবি জানাচ্ছেন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

গত ৫ অক্টোবর ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশের পর থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের একাংশ আপত্তি তোলেন। সকালে কলেজ আর বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলেন তারা। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা কলেজের স্বকীয়তা রক্ষা এবং ভবিষ্যতে উচ্চমাধ্যমিক স্তর থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।

এদিকে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা বলছেন, জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে গিয়ে ৩৫০টি শিডিউল পদ হারায় বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার। তাই সাত কলেজ নিয়ে গঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের পদগুলো যেন শিক্ষা ক্যাডারের হাত ছাড়া না হয়। এ সাত কলেজে শিক্ষা ক্যাডারের শিডিউলভুক্ত এক হাজারেরও বেশি।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম 


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading