শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় রাজনীতির বিদায়, আসছে আমলাদের যুগ

।। এ এইচ এম সায়েদুজ্জামান ।।

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংস্কার ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম আলোচিত বিষয় হলো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিশেষ করে স্কুল ও কলেজ) পরিচালনা পরিষদের গঠন। এতদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা বেশি দেখা গেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সরকার নীতিগতভাবে এমন একটি অবস্থান নিয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জায়গায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আমলাদের সভাপতির আসনে বসানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। এ পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন বিতর্ক ও প্রত্যাশার জন্ম হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে পরিচালিত হয়। সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতনভাতা প্রদান করে এমপিও (Monthly Pay Order) কাঠামোর মাধ্যমে। ফলে আর্থিকভাবে সরকার বড় ভূমিকা রাখলেও পরিচালনা পরিষদ বা গভর্নিং বডি মূলত স্থানীয়ভাবে গঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে দেখা গেছে, এ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাধারণত এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি (ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, সংসদ সদস্য ইত্যাদি) হয়ে থাকেন। এর ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রম অনেক সময় রাজনীতির প্রভাবমুক্ত থাকতে পারেনি।

আমলারা মনে করেন-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক ও একাডেমিক পরিবেশ প্রভাবিত হয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে। শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে প্রভাব খাটিয়ে যোগ্যতার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নেতারা প্রতিষ্ঠানকে তাদের রাজনৈতিক ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা করেছেন, যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বদলে রাজনীতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন বা সরকারি বরাদ্দে স্বজনপ্রীতি ও দলীয় আনুগত্য কাজ করেছে।

রাজনীতিবিদরা মনে করেন-এ সিদ্ধান্ত আমলাদের সকল পর্যায়ে আধিপত্য বিস্তারের সামিল । তাঁদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্থানীয় জনগণের সরাসরি সংযোগ আছে, যা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। সভাপতির পদ থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বাদ দেওয়া হলে জনগণের অংশগ্রহণ কমে যাবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমলাতান্ত্রিক দখলে চলে যাবে। তাঁরা যুক্তি দিচ্ছেন, আমলারা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকেন, ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন সমস্যা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর চাহিদা ও স্থানীয় বাস্তবতা বোঝার সুযোগ কম থাকবে।

তারা আরও বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বরাদ্দ সংগ্রহ, অবকাঠামো গড়ে তোলা ও স্থানীয় উদ্যোগ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাঁদের দাবি, নতুন নীতি গ্রহণযোগ্য নয়; বরং আগের নিয়ম বহাল রেখে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

অন্যদিকে শিক্ষাবিদরা বলছেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে নিয়োগ বাণিজ্য, দ্বন্দ্ব-সংঘাত ও অনিয়ম বেড়ে গেছে। তাই এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

সব মিলিয়ে এ বিতর্ক প্রমাণ করছে যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব কার হাতে থাকবে—এটি কেবল প্রশাসনিক নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রশ্নও বটে। সিদ্ধান্ত যাই হোক, মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীর কল্যাণ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা।

নতুন নীতি:সরকার সম্প্রতি নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হবেন স্থানীয় প্রশাসনের কোনো জ্যেষ্ঠ আমলা, যেমন জেলা প্রশাসক (ডিসি), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। উদ্দেশ্য হলো—রাজনৈতিক প্রভাব হ্রাস করা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

সুধীজনের মতামত :– আমলারা সরাসরি রাজনৈতিক দলীয় প্রভাবমুক্ত থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
  -শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা বাড়বে।
 – প্রশাসনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মানসম্মত শিক্ষা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
 – প্রশাসনের আমলারা সরকারি নানা প্রক্রিয়ায় দক্ষ হওয়ায় উন্নয়ন প্রকল্প ও বরাদ্দ দ্রুত বাস্তবায়িত হতে পারে।

বিতর্ক ও সমালোচনা:তবে এ পরিবর্তনকে সবাই ইতিবাচকভাবে দেখছেন না। সমালোচকদের মতে: -ডিসি বা ইউএনওদের প্রশাসনিক কাজ এত বেশি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে নিয়মিত মনোযোগ দেওয়া কঠিন হতে পারে।

 – আগে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পেছনে ব্যক্তিগত আগ্রহ ও অর্থ ব্যয় করতেন। আমলারা হয়তো সেই আবেগ দেখাবেন না।
– শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমলাদের প্রভাব বাড়লে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হয়তো এক ধরনের দূরত্ব অনুভব করবেন।
– শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা স্থানীয় মানুষের প্রতিনিধিত্বমূলক হাত থেকে প্রশাসনের হাতে চলে গেলে গণতান্ত্রিক চরিত্র দুর্বল হতে পারে।

তুলনামূলক বিশ্লেষণ:বিশ্বের উন্নত অনেক দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা বোর্ড গঠিত হয় শিক্ষাবিদ, অভিভাবক প্রতিনিধি, দাতা সদস্য ও প্রশাসনের সমন্বয়ে। রাজনৈতিক প্রভাব সীমিত রাখা হয়। বাংলাদেশে অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব এত বেশি ছিল যে, এখন হঠাৎ করে প্রশাসনের হাতে পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় একটি ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:
– সভাপতি হিসেবে আমলা থাকলেও বোর্ডে শিক্ষাবিদ, অভিভাবক প্রতিনিধি ও স্থানীয় সমাজের বিশিষ্টজনকে রাখতে হবে।
– শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিতভাবে বোর্ডে থাকতে হবে।
– আমলারা ব্যস্ত হলেও প্রতি মাসে নির্দিষ্ট দিনে মিটিং ও মনিটরিং বাধ্যতামূলক করতে হবে।
– সভাপতির দায়িত্বে থাকা আমলাদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা উচিত।

সম্ভাব্য প্রভাব:

এই পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কেমন হবে তা এখনই বলা কঠিন। তবে কয়েকটি সম্ভাবনা অনুমান করা যায়:শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় রাজনীতির প্রভাব কমবে। নিয়োগ বাণিজ্য অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। তবে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও মালিকানা কমে গেলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে “আমলাতান্ত্রিক কার্যালয়” হিসেবে দেখার ঝুঁকি বাড়বে। শিক্ষা খাতে গুণগত মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শুধু সভাপতির পরিবর্তন নয়, বরং নীতিগতভাবে পাঠ্যক্রম, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো ও গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় রাজনৈতিক প্রভাব কমাতে সরকারের এ পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে যুগোপযোগী। তবে আমলাদের হাতে পুরো নিয়ন্ত্রণ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ, অভিভাবকের দায়বদ্ধতা, শিক্ষকদের মেধা এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা—সব মিলিয়ে একটি সমন্বিত কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হওয়া জরুরি।

অভিভাবকদের ভাবনা:অনেক অভিভাবক মনে করেন, এটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে একাডেমিক পরিবেশ বিঘ্নিত হয়েছে বহুবার। শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি কিংবা উন্নয়ন প্রকল্প—সবখানেই দলীয় প্রভাব কাজ করত। ফলে যোগ্যতার পরিবর্তে আনুগত্য ছিল মূল মানদণ্ড। তারা আশা করছেন, আমলারা সভাপতির দায়িত্ব নিলে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা একটি শান্ত পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

অন্যদিকে, কিছু অভিভাবক শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, আমলাদের প্রশাসনিক ব্যস্ততা এত বেশি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে নিয়মিত মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে যাবে। আবার স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ কমে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কেবল “আমলাতান্ত্রিক দপ্তর”-এ পরিণত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অনেক অভিভাবক মনে করেন, রাজনৈতিক প্রভাব দূরীকরণ ভালো হলেও স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধি বা শিক্ষাবিদদের সম্পৃক্ততা বজায় রাখা উচিত।

সর্বোপরি বলা যায়, অভিভাবকদের একাংশ এ পরিবর্তনকে শিক্ষার মানোন্নয়নের নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন, আরেকাংশ দেখছেন নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে। তবে সবাই একমত যে, মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতি ও ক্ষমতার খপ্পর থেকে মুক্ত রেখে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।

শিক্ষক নেতৃত্ব কী ভাবছে:শিক্ষক নেতাদের একটি অংশ সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে একাডেমিক পরিবেশ ফিরে পাবে। সভাপতির দায়িত্বে আমলারা থাকলে স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ বাণিজ্য অনেকাংশে কমে আসবে। ফলে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নত হবে।

তবে অন্য একটি অংশ শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রভাব যেমন সমস্যা তৈরি করেছে, তেমনি আমলাদের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা সীমিত করতে পারে। শিক্ষক নেতারা আশঙ্কা করছেন, আমলাদের প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত তদারকি থেকে বঞ্চিত হতে পারে। একইসঙ্গে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ ও মালিকানার অনুভূতি কমে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

শিক্ষক নেতারা মনে করেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদে আমলাদের অন্তর্ভুক্তি যদি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে তবে তা শিক্ষার জন্য ইতিবাচক হবে। তবে এ প্রক্রিয়ায় শিক্ষক প্রতিনিধি ও অভিভাবকদের মতামত সমানভাবে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। নচেৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেবল প্রশাসনিক যন্ত্রে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় রাজনৈতিক প্রভাব দূর করে আমলাদের সভাপতি করার সিদ্ধান্ত শিক্ষাক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাবশালী উপস্থিতি প্রতিষ্ঠানকে দলীয় দ্বন্দ্ব, নিয়োগ বাণিজ্য ও পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের অঙ্গনে পরিণত করেছিল। এ বাস্তবতায় প্রশাসনের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হলে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা বাড়তে পারে।

তবে এ উদ্যোগকে ঘিরে শঙ্কাও রয়েছে। আমলাদের প্রশাসনিক ব্যস্ততা ও শিক্ষা খাতের প্রতি সীমিত বোঝাপড়া অনেক সময় সঠিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়া কঠিন করে তুলতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের মালিকানা ও অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার ঝুঁকিও থেকে যায়। তাই কেবল রাজনৈতিক প্রভাব দূর করাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো, যেখানে আমলারা নেতৃত্ব দেবেন, তবে শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত থাকবে।

অতএব, রাজনীতির বিদায় ও প্রশাসনের আগমন যদি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যকর হয়, তবে তা শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখবে। আর যদি আমলাতান্ত্রিক সাত পাকে পড়ে তাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে।শিক্ষা কোনো একক গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ নয়—এটি হওয়া উচিত সমষ্টিগত দায়িত্ব ও অংশীদারিত্বের ফল।

শিক্ষাবার্তা /এ/ ০১/০৯/২০২৫

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.