আল আমিন হোসেন মৃধা: এখতিয়ার না থাকলেও ফ্যাসিস্টের সহযোগী উল্লেখ করে শোকজ করতে করতে কখনও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে ছাত্রলীগের নিপীড়নের শিকার শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের ট্যাগ দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার চিঠি, নিজের দপ্তরে নিজেই অভিযোগ দিয়ে চলে যান তদন্তে গ্রামে-গঞ্জে কিংবা শহরে। এবার ফ্যাসিবাদী আওয়ামী স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের রোষানলে পড়ে বিগত ১৬ বছর একাধিকবার বদলি হয়ে বিভিন্ন জেলা উপজেলায় চাকরি করতে বাধ্য হওয়া জাতীয়তাবাদী প্যানেলের বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের মহাসচিব মো. অহিদুর রহমানকে ফ্যাসিবাদি আওয়ামী লীগের সহযোগী উল্লেখ করে শোকজ করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক কাজী মোঃ আবু কাইয়ুম শিশির।
মো. অহিদুর রহমানকে গত ১৫ জুলাই এবং গত ২৩ জুলাই পৃথক দুইটি শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং থেকে। প্রথম শোকজে ৪ আগস্টের শিক্ষা ভবনে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ২য় শোকজ লেটারে নামমাত্র পরীক্ষা দিয়ে ছাত্রলীগের কোটায় সাঁটলিপিকার পদে চাকুরী নেওয়া, চাকুরীতে যোগদানের পর থেকেই অদ্যাবধি অফিসের কোন কাজ না করে শুধুমাত্র তদবির করে সময় কাটানো এবং বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পৃষ্টপোষকতায় থেকে ১৬ বছরের কুকর্মের জন্য কোন তোয়াক্কাই না করার অভিযোগ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৪ জুলাই “শিক্ষা ক্যাডারের আবু কাইয়ুম শিশিরই যেন শিক্ষা উপদেষ্টা, মাউশি ডিজি তার ‘অধীনস্থ’!” এবং গত ২০ জুলাই “আরও বেপরোয়া মাউশির পরিচালক অধ্যাপক কাজী মো. আবু কাইয়ুম শিশির” শিরোনামে শিক্ষাবার্তা’য় পৃথক দুইটি সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
গত ১৫ জুলাই অধ্যাপক কাজী মোঃ আবু কাইয়ুম শিশির স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিতে উল্লেখ করা হয়, “মহাপরিচালক মহোদয়ের দপ্তরের “অভিযোগ বক্স” হতে প্রাপ্ত অভিযোগ থেকে জানা যায় যে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকা প্রাঙ্গনে ০৪ আগস্ট ২০২৪ খ্রি. তারিখে অফিস চলাকালীন সময়ে আপনি একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সমর্থনে এবং অন্য একটি দলের বিপক্ষে স্লোগান দেন, মিছিল করেন এবং এর আয়োজক হিসেবে নেপথ্যে কাজ করেন যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিও ফুটেজ, মাউশির সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। এমতাবস্থায়, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা-সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৫ (পরিমার্জিত ২০১৮) এর ধারা ৫.১.২ (চ) এবং ৭.১ (গ) মোতাবেক মিছিল ও স্লোগানে সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কিত তথ্য, প্রতিবেদন, কাগজপত্রাদি, লিখিত/মৌখিক বক্তব্য যাচাই-বাছাই করার নিমিত্ত আগামী ২২/০৭/২০২৫ খ্রি. তারিখ সকাল ১০.০০টায় আপনাকে মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং এ স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত/মৌখিক বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।”
২৩ জুলাই করা শোকজের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের দপ্তর থেকে গত ১৫/০৭/২০২৫ তারিখে প্রাপ্ত অভিযোগপত্রে আপনার সম্পর্কে অভিযোগ এসেছে যে, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের শাসন আমলে অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে নামমাত্র পরীক্ষা দিয়ে আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের (কুমিল্লার ৬ আসনের সাবেক এমপি) ছাত্রলীগের কোটায় জনাব অহিদুর রহমান সাঁটলিপিকার পদে চাকুরী নেন। চাকুরীতে যোগদানের পর থেকেই অদ্যাবধি অফিসের কোন কাজ না করে শুধুমাত্র তদবির করে সময় কাটায়। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পৃষ্টপোষকতায় থেকে ১৬ বছরের কুকর্মের জন্য কোন তোয়াক্কাই করতেন না। মাউশির কর্মচারীদের থেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিনিয়ত চাঁদা উঠায় এই অহিদুর রহমান।” আরও অভিযোগ আছে যে, “জনাব অহিদুর রহমান বর্তমানে বিভিন্ন অফিসারদের নামে মাউশি থেকে বিএনপির প্রোগ্রামের কথা বলে নিয়মিত চাঁদা উঠায়। বিগত সরকারের আমলেও একইভাবে চাঁদা উঠাত এই কুক্ষাত অহিদ। বিগত পলায়ন সরকারের আমলে ২২/০৭/২০২২ তারিখে গোপালগঞ্জে শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজার জিয়ারতের জন্য মাউশির কর্মচারীদের থেকে বিপুল অংকের টাকা চাঁদা তুলে গোপালগঞ্জ যায় (ছবি সংযুক্ত) | ২০২২ সালে বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সভায় সভাপতির পদ না পাওয়ায় স্টেজে উঠে সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামানকে পিস্তল বের করে ভয় দেখায় এই কুক্ষাত অহিদুর রহমান।” অভিযোগকারীর অভিযোগের সাথে প্রাপ্ত জন্য একটি ছবিতে আপনাকে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের মাউশির মহাপরিচালক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জনাব আব্দুল হামিদের ভাগিনা অধ্যাপক নেহাল আহমেদের একেবারে সন্নিকটে থেকে শেখ মুজিবরের মাজার জিয়ারত করতে দেখা যায় (ছবি সংযুক্ত)। এমতাবস্থায়, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত নির্দেশিকা ২০১৫ (পরিমার্জিত ২০১৮) এর ৭.১(গ) অনুসারে আগামী ২৭/০৭/২০২৫ তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অভিযোগ নিষ্পত্তি কর্মকর্তা (অনিক) ও পরিচালক, মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং এর দপ্তরে উপস্থিত হয়ে উপর্যুক্ত বিষয়ে আপনার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সর্ম্পকে আপনার মৌখিক ও লিখিত জবাব উপস্থাপনের জন্য অনুরোধ করা হলো।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কয়েক জন কর্মচারী শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, আওয়ামী লীগের রোষানলের শিকার যে কয়জন কর্মচারী মাউশিতে কর্মরত রয়েছে তার মধ্যে অহিদ অন্যতম। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৬ বছরে অগণিতবার বদলি হয়েছেন। বিগত ১৬ বছর ধরেই তিনি ছিলেন বিভিন্ন জেলা উপজেলায়। তাকেই ফ্যাসিস্টের সহযোগী উল্লেখ করে শোকজ করা হয়েছে যা হাস্যকর।
মাউশি ডিজির নাম ভাঙ্গিয়ে চিঠি করে ঢাকা ডিডি অফিসে তদন্ত
গত ২০ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানসহ তার দপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে তদন্তের চিঠি ইস্যু করে তদন্তে যান অধ্যাপক কাজী মোঃ আৰু কাইয়ুম। তদন্তের চিঠিতে তিনি উল্লেখ করা হয়, ” আপনার কার্যালয়ের এমপিও বাণিজ্য, ঘুষ, দুর্নীতিতে জড়িত কর্মচারি সিন্ডিকেট এর বিরুদ্ধে মহাপরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকা মহোদয়ের দপ্তরের “অভিযোগ বক্সে” অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এমতাবস্থায়, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা-সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৫ (পরিমার্জিত ২০১৮)এর ধারা ৫.১.২ (চ) এবং ৭.১ (গ) মোতাবেক অভিযোগ সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কিত তথ্য, প্রতিবেদন, কাগজপত্রাদি, লিখিত/মৌখিক বক্তব্য যাচাই-বাছাই করার নিমিত্ত আগামী ২৩/০৭/২০২৫খ্রি. তারিখ দুপুর ২.০০টায় পরিচালক, মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং ও অভিযোগ নিষ্পত্তি কর্মকর্তা (অনিক) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকা আপনার কার্যালয় পরিদর্শন করবেন। উল্লিখিত সময়ে আপনার কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সর্বশেষ করা তিনটা চিঠিতেই মাউশির মহাপরিচালকের দপ্তরের “অভিযোগ বক্সে” অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে উল্লেখ করা হলেও মাউশির ডিজির দপ্তর থেকে কোনো চিঠি মনিটরিং ইউংয়ে পাঠানো হয়নি। এমনকি বিষয়গুলো নিয়ে জানেনও না মাউশির ডিজি।
জুলাই আন্দোলনে গত ৩ ও ৪ আগস্ট আজিমপুরে দায়িত্ব পালনের দাবি অধ্যাপক শিশিরের
গত ২৬ জুলাই ২০২৫ খ্রি. জুলাই মঞ্চ নামের সংগঠন দিয়ে অধ্যাপক কাইয়ুম শিশির শিক্ষা উপদেষ্টাকে দেওয়া স্বারকলিপিতে উল্লেখ করান, ২০২৪ সালের ৩ ও ৪ আগস্ট শিক্ষা অধিদফতর কম্পাউন্ডে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট হাসিনার জুলাই মঞ্চের স্মারকলিপি সহযোগী শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে সমাবেশ ও মারামারি করে তাণ্ডব চালায়। ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে ১৫ বছরের নির্যাতিত প্রফেসর কাজী মো: আবু কাইয়ুম জুলাই আন্দোলনে এমন একজন সহযোদ্ধা যিনি ৩, ৪ ও ৫ আগস্ট ২০২৪ নিউমার্কেট আজিমপুর এলাকার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২৫ আগস্ট ২০২৪ সচিবালয়ের ভেতর আনসার বিদ্রোহ দমনে সবাইকে নেতৃত্ব দেন। তার দীর্ঘ ১৫ বছরের ঢাকার বাইরের চাকরি জীবনের বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ২৫ আগস্ট ২০২৪ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (প্রধান নির্বাহী) হিসেবে বর্তমান সরকার নিয়োগ প্রদান করেন। দায়িত্ব নিয়ে তিনি ৪ আগস্ট ২০২৪ এর মাউশি ভবনে সৃষ্টি করা তাণ্ডবে অংশগ্রহণকারী ফ্যাসিস্ট হাসিনার সহযোগী শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আইনের আওতার আনার জন্য শোকজ নোটিশ প্রদান করেন। দুঃখজনক হলেও সত্য এই শোকজ নোটিশ জারির ১২ দিন পরেই বিচার প্রক্রিয়াকে বন্ধ করার জন্য তাকে সেখান থেকে বদলি করা হয়।
প্রকৃত পক্ষে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শিক্ষা প্রশাসনের জাতীয়তাবাদী প্যানেল থেকে প্রথম সিঙ্গেল অর্ডারে ডিআইএ’র পরিচালক পদে পদায়ন পান (২৪ আগস্ট) প্রফেসর কাজী কাইয়ুম। পদায়নের মাস খানেক পরেই শিক্ষা ভবনে মিছিল করা ডিআইএ’র ১৬ জন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাকে শোকজ করেন। শোকজের পর চলে দেন দরবার। ১৬ জনের মধ্যে ৭ জন কর্মকর্তা দেন জনপ্রতি ১০ লাখ টাকা আর বাকি ৬ জন কর্মকর্তা দেন ৩-৪ লাখ টাকা করে। প্রায় ৮৬ লাখ টাকা আদায় করে সেই শোকজের ফাইল গায়েব করে দেন এই কর্মকর্তা। সে সময় গণমাধ্যমকে শিশির বলেছিলেন, “৪ আগস্ট শুধু ডিআইএ নয়, শিক্ষাভবনের অনেকেই স্লোগান দিয়েছেন। অন্য দপ্তরগুলো কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। এখন আমি যদি ব্যবস্থা নিতাম তাহলে সমালোচনা হতো।”
শুধু এই মিছিল করাদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ই নয় সারাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক এবং প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতি ধরার দায়িত্বে থাকা ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক কাইয়ুম শিশির মিনিস্ট্রি অডিটের প্রতিটি ট্যুর বিক্রি করতেন। এই ট্যুর বিক্রি ও ঘুস-বাণিজ্যের আধিপত্য বিস্তারে ডিআইএ’র যুগ্ম পরিচালক আবুয়াল কায়সারের সাথে দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। পদায়নের তিন মাস না যেতেই ঘুস দুর্নীতিতে জড়িয়ে পরায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২১ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে তাকে ময়মনসিংহের মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজে বদলি করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা ক্যাডারের কয়েকজন অধ্যাপক শিক্ষাবার্তা’কে বলেন, একজন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা নয় শুধু যে কোন কর্মকর্তাই সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলার সুযোগ নাই। কেননা সরকারি কর্মকর্তারা সরকারি নির্দেশ পালন করতে বাধ্য। সেখানে তিনি মিছিলে আজিমপুরে দায়িত্ব পালন করেছেন উল্লেখ করেন। এটা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।
অধ্যাপক শিশিরের অবৈধ আয়ের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান
দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয় ঢাকার পরিচালক উত্তম কুমার মন্ডল স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানা যায়, প্রফেসর মো: আবু কাইয়ুম ওরফে শিশিরের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে মিনিষ্ট্রি অডিট ও তদন্তের নামে ঘুষ গ্রহণ, বদলী বাণিজ্য, নিজ নামে ঠিকাদারী ব্যবসা করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগসমূহ অনুসন্ধান করার নিমিত্ত মহাপরিচালক (তদন্ত-১) বরাবর প্রেরণের জন্য কমিশন কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এমতাবস্হায়, উক্ত সিদ্ধান্ত মোতাবেক বর্ণিত অভিযোগসমূহ অনুসন্ধানের পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশক্রমে এতদসঙ্গে প্রেরণ করা হলো।
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২৯/০৭/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
