কামরুল হাসান, কলারোয়া থেকে।। এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে কলারোয়া উপজেলার ২৮ মাদ্রাসার ২৫ টিতেই নেই জিপিএ-৫। গোটা উপজেলার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৪ জন। অপরদিকে, নামমাত্র এক অঙ্কের সংখ্যার পরীক্ষার্থী রয়েছে ৫ মাদ্রাসায়। সূত্রমতে, উপজেলার ২৮টি মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৪১ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত হয়েছে ৫০২ জন। অনুপস্থিত ৩৯ জন।
মাদ্রাসা প্রতি গড় পরীক্ষার্থী ছিল ১৭.৯২। সবচেয়ে অবাক হওয়ার মতো বিষয় হলো, দাখিল পরীক্ষায় নামমাত্র পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে ৫টি মাদ্রাসা থেকে। জানা গেছে, সবচেয়ে কম ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে শাকদাহ দাখিল মাদ্রাসা থেকে। এছাড়া কুশোডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৭, পুটুনি দাখিল মাদ্রাসা ও জিআর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৮ জন করে পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
আর ৯ জন অংশগ্রহণ করেছে ছলিমপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে। এক একটি মাদ্রাসা থেকে এতো কম পরীক্ষার্থী একটি বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে সাধারণত: দেখা যায় না বলে জানা গেছে। দাখিলের ফলাফলে ২ জন জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলার মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে কাকডাঙ্গা ফাজিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসা থেকে ৩৩ জনের মধ্যে ২৫ জন পাস করেছে।
পাসের হার ৮৩.৩৩। এছাড়া জিপিএ-৫ পেয়েছে জালালাবাদ মহিলা মাদ্রাসা ও বোয়ালিয়া মহিলা মাদ্রাসা থেকে একজন করে। উপজেলার শীর্ষস্থানীয় মাদ্রাসার অন্যতম কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা, হামিদপুর সিনিয়র মাদ্রাসা, ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা, বুঝতলা, চন্দনপুর, সোনাবাড়িয়া, ধানঘরা মাদ্রাসা থেকে কোনো পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ না পাওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন অনেকেই।
এ বিষয়ে রোববার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবদিন বলেন, কম পরীক্ষার্থী উপস্থিতির বিষয়টি উদ্বেগজনক। এই প্রতিষ্ঠানগুলো তদারকির আওতায় এনে শিক্ষার্থী বাড়ানোয় উৎসাহিত করা হবে।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জহুরুল ইসলাম অবগত হয়েছেন। তিনি আলাপকালে বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার মানোন্নয়ন করা বিশেষ প্রয়োজন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
