কামরুল হাসান,কলারোয়া থেকে।। এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কলারোয়া উপজেলার ৪৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে সরকারি জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলারোয়া গার্লস পাইলট হাইস্কুল। এসএসসির ফলাফলে উপজেলায় ১৫ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে কোনো পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। এবার উপজেলার মোট জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ১৭০ টি।
এরমধ্যে কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৩ জন শিক্ষার্থী। এ বিদ্যালয় থেকে ১৩১ জন এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে পাশ করেছে ১২৯ জন। পাসের হার ৯৮.৪৭। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গার্লস পাইলট হাইস্কুল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন। এ বিদ্যালয়ের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৭ জন।
পাস করেছে ৮৭ জন। পাসের হার ৮৯.৬৯। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভাদিয়ালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। ১০ জন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে বিএইচএস সিংগা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সোনাবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।
এছাড়া বামনখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৬ জন, খোরদো সালেহা হক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৫ জন, খোরদো বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, কয়লা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, ধানদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন ও কাজিরহাট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
২ জন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে কেকেইপি সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কেসিজি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাটরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুশোডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরসকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দেয়াড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বোয়ালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও সরসকাটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। একজন করে জিপিও-৫ পেয়েছে বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কামারালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পানিকাউরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হিজলদি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হেলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কেএল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সূত্রমতে, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিও-৫ না পাওয়া ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো: সাতপোতা রহিমা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, মমতাজ আহম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চন্দনপুর নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, শাকদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, ফাতেমা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলারোয়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, লাঙ্গলঝাড়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বিবিআরএনএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রামকৃষ্ণপুর সৈয়দ কামাল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, দমদম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ছলিমপুর আব্দুল খালেক খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়। জানা গেছে, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের তুলনায় কমসংখ্যক ৬ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশগ্রহণ করেছে চন্দনপুর নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে। এছাড়া কেঁড়াগাছি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৯, মমতাজ আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১১, দমদম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৩, রামকৃষ্ণপুর সৈয়দ কামাল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৪ ও সাতপোতা রহিমা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৫ জন, বদরুন্নেসা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ১৬জন । বিশাল বিশাল ভবন নিয়ে এতো কমসংখ্যক পরীক্ষার্থী একটি পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করায় অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
কলারোয়ার ভাদিয়ালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, নির্দিষ্ট নীতিমালা আরোপ না করায় কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এরকম কমসংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
এ বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জহুরুল ইসলাম অবগত হয়েছেন। তিনি আলাপকালে বলেন, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল