এইমাত্র পাওয়া

অনেকে একটি অথবা দুইটি করে বই পেয়ে খুশি চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রামে বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিতরণ করা হয়েছে নতুন পাঠ্যবই। তবে সংকট থাকায় অনেক শিক্ষার্থী বই না পেয়ে ফিরে গেছে খালি হাতে। অনেকে একটি অথবা দুইটি করে বই পেয়েও খুশিতে বাড়ি ফিরেছে।

বুধবার সকালে নগরীর ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রাথমিকের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বই এবং ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মাধ্যমিকের সব বই বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, সকাল ১০টার আগেই কনকনে শীত উপেক্ষা করে নগরীর কোতোয়ালি থানার জামালখান এলাকায় অবস্থিত খাস্তগীর স্কুলে ছিল শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি। দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়টির ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন বই।

এদিন শিক্ষার্থীদের কেউ পেয়েছে একটি, কেউবা পেয়েছে দুটি বই। বই পেয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে কেউ মাঠে আবার কেউ স্কুলের বারান্দায় বসে নতুন বইয়ের মলাট উল্টিয়ে দেখছে। এতেই খুশি তারা। মাধ্যমিকের দুই থানা শিক্ষা অফিসের আওতাধীন ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ৭টি বই সরবরাহ করা হয়েছে স্কুলগুলোতে। তবে এবার বই উৎসব না হওয়ায় আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই বই বিতরণ করা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে।

চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার উত্তম খীসা বলেন, চট্টগ্রামে এবার সবমিলিয়ে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৪৪ হাজার পাঠ্যবইয়ের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে বুধবার পর্যন্ত ৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৫০টি পাঠ্যবই পাওয়া গেছে; যা চাহিদার মাত্র ৩ শতাংশ। যেসব বই এসেছে সেগুলো বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা হয়েছে। আশা করছি ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব বই পাওয়া যাবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের ৬ থানা শিক্ষা অফিস ও সব উপজেলা মিলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ১০ লাখ ৪ হাজার ৬৩২ জন। আর এবার নতুন বইয়ের চাহিদা ৪৪ লাখ ১৮ হাজার ১৮৭ কপি। এর মধ্যে বছরের প্রথম দিনই প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির সব বই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যদিও চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বই দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বই না আসায় শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ৫ জানুয়ারির মধ্যে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এসএম আবদুর রহমান জানিয়েছেন।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/০১/০১/২০২৫


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.