অনলাইন ডেস্ক :
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের আর বহিষ্কার করা যাবে না। গত ২৩ ডিসেম্বর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নির্দেশাবলি’র ১১ নং অনুচ্ছেদ রহিতকরণের আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নির্দেশাবলির ১১ নং অনুচ্ছেদের `শৃঙ্খলা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা` অংশে বলা হয় নির্দেশনাবলীর ৯ ও ১০ অনুচ্ছেদে যথাক্রমে `পরীক্ষার্থীদের জন্য পালনীয় নিয়মাবলী, পরীক্ষা চলাকালীন আচরণ অংশে উল্লেখিত `যেকোন নির্দেশ অমান্য করার জন্য ওই বিষয়ের পরীক্ষা উত্তরপত্র বাতিল করা যেতে পারে। এবং `প্রশ্নপত্র ছাড়া অন্য কাগজপত্র বা অন্যের উত্তরপত্র দেখে লিখলে বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করলে তাকে সেই বিষয় সহ অন্য বিষয়ে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা যাবে অথবা তার পরীক্ষা বাতিল করা যাবে।
অধিদপ্তরের নতুন আদেশ অনুযায়ি ৯ ও ১০ অনুচ্ছেদের কোনো নিদের্শনাবলী অমান্য করলেও সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বা বহিষ্কার করা যাবে না।
উল্লেখ্য, চলতি বছর সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষার হলে অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করায় বিভিন্ন বিষয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি পরবর্তী পরীক্ষা নেয়া বন্ধ রাখা হয়। প্রসঙ্গত, গত ১৯ নভেম্বর ‘পিইসি পরীক্ষায় শিশু বহিষ্কার কেন’ শিরোনাম নামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদটি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল।
প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনার পর ২১ নভেম্বর হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন। রুলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর জারি করা নির্দেশনার ১১ নম্বর অনুচ্ছেদ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চায় হাইকোর্ট।
পরবর্তিতে আদালতের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ২০১৯ পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) পরীক্ষায় বহিষ্কার হওয়া ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিচ্ছে সরকার।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
