মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাফা লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ“অবৈধ সভাপতি বানিয়ে টাকা উত্তোলন করলেন প্রধান শিক্ষক” শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন অনলাইন ও পত্রিকায় প্রকাশিত হলে টনক নড়ে প্রধান শিক্ষক ফয়জার রহমানের।অবশেষে বিদ্যালয় উন্নয়নের টাকা উত্তোলনের ৫ দিনের মধ্যে উত্তোলনকৃত ৮০ হাজার টাকা আবারও সোনালী ব্যাংক আদিতমারী শাখায় জমা করছেন গোবধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফয়জার রহমান।
এদিকে রবিবার ( ১ ডিসেম্বর) ডাকযোগে এ ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে চিঠি দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) এন,এম শরীফুল ইসলাম খন্দকার।টাকা উত্তোলন আর জমা দেয়ার বিষয়টি সোনালী ব্যাংক আদিতমারী শাখা থেকে নিশ্চিত করেছেন। সেই সাথে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।কারণ দর্শানো পত্রে বলা হয়েছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর গত ৫/৬/১৮ ইং তারিখের লিখিত নির্দেশনা অমান্য করা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির (৭/৬/১৮ তারিখের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, যার স্মারক নং -৫১৯, তারিখ- ১১/৬/১৮) নির্দেশনা অমান্য করা,আপনার মনগড়া কমিটির সভাপতি নিম্নস্বাক্ষরকারীকে বিবাদী করে সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা করেন (৫৭/১৮,তারিখ-১৯/০৭/১৮)।মোকদ্দমায় কোন প্রকার নিষেধাজ্ঞা না থাকা সত্বেও আপনার এডহক কমিটি গঠন করা থেকে বিরত থাকা। আপনার বিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে সরকারী বরাদ্দ আপনার হিসাব নম্বরে হস্তান্তর করা হয়েছে। উক্ত হিসাব নম্বর সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি দ্বারা পরিচালিত হবার কথা।
এদিকে গত ১৩ নভেম্বর সোনালী ব্যাংক আদিতমারী শাখা থেকে বিদ্যালয় বরাদ্দের ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। আবার ৫দিন পর ১৭ নভেম্বর ওই টাকা আবার ব্যাংক হিসেব নম্বরে জমা করেন। ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন না থাকা ও আদালতে মামলা মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে টাকা উত্তোলন করে আত্নসাতের অপচেষ্টা করেছেন। কেন আপনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না পত্র প্রাপ্তির ৩ কার্যদিনের মধ্যে, বিলম্বে প্রাপ্তি হলে এবং সন্তোষজনক না হলে আর কোন প্রকার কৈফিয়ত তলব ব্যতি রেখে আপনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে। যার অনুলিপি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।
গোবধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক টাকা উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করলেও টাকা জমা দেয়া ও শোকজের চিঠির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।আদিতমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) এনএম শরীফুল ইসলাম খন্দকার শোকজের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৩ কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
