নিউজ ডেস্ক।।
বাংলাদেশের শিক্ষার কারিকুলাম ও সিলেবাসে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে । এই কারিকুলাম বাস্তবায়নের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
নতুন কারিকুলামকে ফলপ্রসূ করার নিমিত্তে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মনিটরিং করার ক্ষেত্রসমূহ-
০১.কর্ম পরিকল্পনার উন্নয়ন করা।
০২.শ্রেণিকক্ষে অনুশীলন,ব্যবহারিক কার্যক্রম, সহপাঠ্যক্রমিক বা অতিরিক্ত কার্যক্রমগুলো মনিটরিং করা।
০৩.দলীয় শিক্ষণ মনিটরিং করা।
০৪.অডিট বা নিরীক্ষা করা।
০৫.পরিকল্পনা মনিটরিং করা।
(ক) বিষয়ভিত্তিক পরিকল্পনা (খ) দলীয় পরিকল্পনা।
০৬.ছাত্র-ছাত্রীদের কাজের পদ্ধতিগত প্রতিফলন পর্যালোচনা করা।
০৭.শিক্ষার্থীদের নথিপত্রের নমুনায়ন করা।
০৮.শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা, সাক্ষাৎকার পর্যালোচনা করা।
০৯.ফলাফল অভীক্ষায়নের মাধ্যমে মনিটরিং করা।
১০.বাজেট বিবেচনাপূর্বক প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার তদারকি করা এবং সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।নতুন শিক্ষাক্রম মনিটরিং-এর ক্ষেত্র :
১১.শিখনের বিষয়বস্তুর সাথে শ্রেণি কার্যক্রম সম্পর্কিত কি না? তা তদারকি করা।
১২.শিক্ষাদান পদ্ধতির সঠিকতা যাচাই করা।
১৩.মূল্যায়ন কৌশল এর সঠিকতা তদারকি করা।
১৪.শিক্ষাক্রমের বিস্তরণ ও বাস্তবায়ন সঠিকভাবে করা হচ্ছে কি না?
১৫.যৌথ কর্মকান্ডের মাধ্যমে পাঠদান হচ্ছে কিনা, তা তদারকি করা।
১৬.বর্ধিত শিক্ষাক্রম কর্মসূচী প্রণয়ন করা বা প্রণয়নে সহায়তা করা।
১৭.পেশাগত উন্নয়নের জন্য নিয়মিত শিক্ষক-কর্মচারিদের নিয়ে সভার আয়োজন করা।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
