নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৯৮ সালে স্থাপিত হলেও ২০০৪ সালে এসে এমপিওভুক্ত হয় এবং ২০১২ সালে পাঠদানের অনুমতি পেলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ছাত্রীর সংখ্যা শতাধিকের বেশি। পাঁচজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকসহ প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ১১ জন কর্মরত রয়েছেন। তবে চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে নিয়মিত পরীক্ষার্থীতে হিসেবে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী রুবিনা আক্তার অংশগ্রহণ করছেন।
একটি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে একজন মাত্র শিক্ষার্থী নিয়মিত এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন এমন প্রশ্নে করোনাকালীন সময় ও বাল্যবিবাহকে দায়ী করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।
অতীতে যা হয়েছে আগামীতে প্রতিষ্ঠানটিতে বেশি ছাত্র-ছাত্রী ও লেখাপড়ার মান উন্নয়নে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুর জামাল মিয়া।
অনন্তপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি থেকে মোট তিনজন পরীক্ষা দিলেও নিয়মিত ১ জন পরীক্ষা দিচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্র সচিব।
পরীক্ষার্থী রুবিনা আক্তারকে জিজ্ঞেস করলে বলেন, আমার সব বান্ধবীদের বিয়ে হয়েছে তাই একাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছি।
উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, উচ্চ মাধ্যমিকের এমপিওভুক্ত করতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে বিদ্যালয়ের পাঠদানের অনুমতি বাতিলের সম্ভাবনা রয়েছে।
শিবা/জামান/২৩.০২.২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
