এইমাত্র পাওয়া

মাদরাসা শিক্ষকের ধর্ষণেঅন্তঃসত্ত্বা ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী

কুমিল্লাঃ জেলার দেবিদ্বারে ধর্ষণে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে মাদরাসা শিক্ষক ফয়েজুর রহমানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থানার ওসি নয়ন মিয়া।

গ্রেপ্তার ফয়েজুর রহমান দেবিদ্বার পৌর এলাকার ইকরা নগরীর মৃত হাফেজ খলিলুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় একটি মাদ্রাসার মোহতামিম তিনি।

এজাহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ২৩ নভেম্বর এক ছাত্রীকে কক্ষ ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে ডাকে ফয়েজুর রহমান। কৌশলে কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। এর এক মাস পর অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই ছাত্রী। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘ওই মাদরাসায় আমার মেয়ে প্রায় চার বছর ধরে পড়ালেখা করছেন। সে প্রায় আমার মেয়েকে কাজের কথা বলে তার কক্ষে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করতো। গত ২৩ জানুয়ারি সাড়ে ১২টার দিকে মেয়ের পেটে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দেবিদ্বারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বলেন চিকিৎসকরা। আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পর রিপোর্টে দেখা যায়, মেয়েটি এক মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রী জানায়, মাদরাসার মোহতামিম ফয়েজুর রহমান তাকে ধর্ষণ করেছে। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ওই শিক্ষক। সেজন্য ভয়ে কাউকে জানায়নি।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন মিয়া বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে শনিবার সকালে মাদরাসার মোহতামিম ফয়েজুর রহমানকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। এই ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৭/০২/২০২৪


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.