শিক্ষাবার্তা ডেস্ক, ঢাকাঃ রাজধানীর নামকরা কলেজ থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের স্কুল। বেসরকারি পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির লাগাম টানা যাচ্ছে না। নিয়োগ বাণিজ্য, আর্থিক দুর্নীতি, জাল সনদ প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষফোড়া হয়ে উঠেছে। তদন্তে প্রমাণিত হলেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুর্নীতি বেড়ে চলেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ব্যবস্থা নিতে কাজের গতি বাড়ানো হচ্ছে, নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।
সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের কাজ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক, প্রশাসনিক বিষয় দেখভাল ও নিয়োগ ও সনদ যাচাই করে সংস্থাটি। সরকারের প্রশাসনিক আদেশ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য পরিকল্পনামাফিক পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় উপদেশ দেওয়া এই সংস্থার কর্মকর্তাদের কাজ। সংস্থাটির কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, প্রতিবছর ডিআইএ-র কর্মকর্তারা ২-৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। সে হিসাবে ডিআইএ গঠনের পর প্রায় ৩৭ বছরের বেশি সময় ৩৬ হাজার স্কুল-কলেজ একাধিকবার পরিদর্শন করা হয়েছে। এরমধ্যে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যে, তারা অনিয়ম-দুর্নীতি খুঁজে পায়নি। দীর্ঘদিন এসব প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও দুর্নীতি কমার পরিবর্তে বাড়ছে। অনিয়ম প্রমাণের পর ব্যবস্থা না নেওয়া এর অন্যতম কারণ।
এ বিষয়ে ডিআইএ-র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) বিপুল চন্দ্র সরকার বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন তৈরির পর নিষ্পত্তি হতে প্রায় এক বছরের বেশি সময় লাগে। যারা অভিযুক্ত হন তারা প্রতিবেদনের জবাব ব্রডশিটে জমা দেন না। অনেক জবাব মন্ত্রণালয়ে পৌঁছাতে পাঁচ বছরও লেগে যায়। ফলে সহজেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হয় না। যে কারণে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জনবল সংকটকেও দুষছেন এই কর্মকর্তা। সেসব কারণে রাজধানীর নামকরা কলেজ থেকে মফস্বলের চিত্র একই রকম রয়ে গেছে।
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ১১ বছরে ৩৮২ কোটি টাকার অনিয়ম ॥ ১১ বছরে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ৩৮২ কোটি টাকার বেশি অনিয়ম পেয়েছে ডিআইএ। এ সংক্রান্ত ১৭৯ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর। রিপোর্টে বিধি বহির্ভূতভাবে শিক্ষক নিয়োগ, গভর্নিং বডি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের সম্মানী, করোনার সময় বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও গাড়ি ও জেনারেটরে অস্বাভাবিক জ্বালানি খরচ, কেনাকাটা, পূর্ত কাজসহ বিভিন্ন খাতে এই অনিয়ম হয়েছে।
প্রতিবেদন মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সাধারণ তহবিলের ১৩ কোটি ৮১ লাখ ১১ হাজার ৫০ টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। হিসাবে গরমিল রয়েছে ৮০ লাখ ১৪ হাজার ৭০০ টাকার। প্রতিষ্ঠানটির তিনটি গাড়ি থাকলেও প্রতি শাখায় তিনটি গাড়ির তথ্য দিয়ে জ্বালানি খরচের বিল করা হয়েছে ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ১৮৪ টাকা। তিন গাড়ি মেরামতে ১৭ লাখ ৬৯ হাজার ৪৮২ টাকা খরচেও বিধি মানা হয়নি। পরে দরপত্র ছাড়াই ১২ লাখ টাকায় একটি গাড়ি কেনা হয়। জেনারেটরের জ্বালানি ও মেরামতে ২২ লাখ ৯৮ হাজার ৬২২ টাকা খরচেও বিধি মানা হয়নি।
ডিআইএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্থিক বিধিতে প্রভিশন না থাকা সত্ত্বেও স্কুলটির প্রতিটি শাখা থেকে গভর্নিং বডির সভাপতি ও সদস্যরা সম্মানী নিয়েছেন। গত ৯ বছরে গভর্নিং বডির ১৩ জন সদস্য সম্মানী নিয়েছেন ৩৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৮৬ টাকা, তাদের আপ্যায়নে খরচ হয়েছে ১৩ লাখ ৪০ হাজার ২৮৬ টাকা এবং গভর্নিং বডির পেছনে আনুষঙ্গিক ব্যয় হয়েছে ৩১ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭৬ টাকা।
আর এই গভর্নিং বডি নির্বাচনের পেছনে ব্যয় হয়েছে ৩৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৫২ টাকা। সব মিলিয়ে এই অঙ্ক এক কোটি ১৫ লাখ টাকার মতো। টিউশন ফির টাকায় গভর্নিং বডির সদস্যরা ব্লেজারও কিনেছেন। তারা প্রতিটি ব্লেজার কিনেছেন ৪১ হাজার টাকায়। এর জন্য ১৩ জন সদস্য নিয়েছেন পাঁচ লাখ ৩৬ হাজার ৮২ টাকা।
তবে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ডিআইএ-র এই তদন্ত তিন মাস আগে প্রকাশ করলেও এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি অভিযুক্তরা ব্রডশিটেও উত্তর দেয়নি। স্কুলের শিক্ষকদের ধারণা, এত অনিয়ম করেও পার পেয়ে যাবেন তারা। তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা কোনো মন্তব্যও করতে রাজি হননি।
একই চিত্র অন্য কলেজে ॥ সম্প্রতি রাজধানীর অন্য একটি নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিউ মডেল ডিগ্রী কলেজ পরিদর্শন করেছে ডিআইএ। তাদের তদন্তে দেখা গেছে, কলেজটির উপাধ্যক্ষ অনিয়ম করে দুই পদে বেতন তুলেছেন প্রায় চার কোটি টাকা। এ ছাড়াও ১০ শিক্ষকের নিবন্ধন সনদ ভুয়া ও প্যাটার্নের বাইরে আরও অতিরিক্ত ৮০ জন শিক্ষক-কর্মচারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে বলে দেখা গেছে। অনিয়ম ও দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে যেন ডুবতে বসেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, চতুর্থ শ্রেণির এমপিওভুক্ত পদ সাতজন হলেও কর্মরত আছেন ২৬ জন। অফিস সহকারীর পদ মাত্র তিনটি হলেও এই প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন ১৩ জন। প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে ২৯ জনের এমপিও রয়েছে। এর বাইরে আরও ৫০ জন শিক্ষকতা করছেন।
নিউ মডেল ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আজহারুল ইসলাম জানান, প্রয়োজনের অতিরিক্ত শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার কারণে প্রতিমাসে ৫০ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে। যার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। বিগত গভর্নিং কমিটির সময়ে এসব হয়েছে। নিজের দায় নেই উল্লেখ করে, এসব নিয়োগের পেছনে সুপারিশ ও স্বজনপ্রীতি রয়েছে বলেও তিনি মনে করেন।
উপাধ্যক্ষ বেলাল দুই পদের বেতন তুলেছেন ॥ কলেজটির উপাধ্যক্ষ এ বি এম বেলাল হোসেন ভূঞা স্নাতক পাস হওয়ায় কলেজের উপাধ্যক্ষ পদের যোগ্যতাই ছিল না তার। এরপরও কলেজটিতে উপাধ্যক্ষ হন। প্রায় ১২ বছর নিয়ম-বহির্ভূতভাবে উপাধ্যক্ষ ও সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দুই পদেই বেতন নিয়েছেন তিনি। টাকার অঙ্কে তা তিন কোটি ৮৮ লাখ টাকার বেশি।
এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী বেতন তোলার কথা থাকলেও তিনি তা মানেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সবধরনের আর্থিক সুবিধা ভোগ করেছেন। যা এখন ফেরত দিতে বলছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন নিরীক্ষা ও পরিদর্শন অধিদপ্তর। শুধু তাই নয়, কলেজটির অধ্যক্ষের অবসরের কারণে তিনি এখন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে আছেন। এ বিষয়ে বেলাল ভূঞা বলেন, যা হয়েছে গভর্নিং বডির নির্দেশনা অনুযায়ী হয়েছে। দুটি পদ থেকে বেতন তোলার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। তবে এর বেশি কিছু মন্তব্য করতে চাননি।
শিক্ষক নিবন্ধন নেই ১০ শিক্ষকের ॥ জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের ২০০৫ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু দেখা গেছে, এই কলেজটিতে ১০ শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন যাদের কোনো নিবন্ধন সনদ নেই। কলেজ পর্যায়ে গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ের অনুমোদন দেওয়া হলেও অনার্স পর্যায়ে এই বিষয়ের অনুমোদন নেই। নিয়ম অনুযায়ী এই বিষয়ে একজন প্রভাষক থাকার কথা। কিন্তু এই পদে দুজন শিক্ষকতা করছেন। একইভাবে এই কলেজটির জীববিজ্ঞান বিষয়েও একই ঘটনা ঘটেছে।
জাল সনদে চাকরি, নিয়োগে বিধি অনুসরণ হয়নি ॥ শুধু নিবন্ধনহীন শিক্ষক নয়, কলেজটিতে জাল সনদে শিক্ষকতার প্রমাণও মিলেছে। প্যাটার্ন শিক্ষক ও অতিরিক্ত শিক্ষকদের নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগ বিধি অনুসরণ করা হয়নি। কম্পিউটার প্রভাষক পদে তুষার কণা পোদ্দার ২০১০ সালে যোগদান করেন। এমপিওভুক্ত হন ২০১৮ সালে। কম্পিউটার বিষয়ের সনদটি যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ থেকে অর্জন করেন।
কিন্তু তিনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে এই সনদ অর্জন করেছেন তা তালিকা বহির্ভূত। ফলে এই শিক্ষকের চার বছরের নেওয়া ১১ লাখ ৬২ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক মো. দেলোয়ার হোসেন ভুয়া এনটিআরসিএ সনদে নিয়োগ পেয়েছেন। এনটিআরসিএ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মো. দেলোয়ার কখনো এমপিওভুক্ত হবেন না বলেও এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির আয়-ব্যয়ের হিসাবেও গরমিল পাওয়া গেছে। আয়-ব্যয়ের হিসাব সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয় না। দেখা গেছে, কলেজটির বেসরকারি খাতের টাকা সাধারণ তহবিল/ ব্যাংকে জমা দেওয়া হয় না। এ ছাড়াও ব্যয় করা টাকা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয় না।
গ্রামের স্কুলেরও একই অবস্থা ॥ শুধু রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্কুল-কলেজেও অনিয়ম ও দুর্নীতির খোঁজ পায় ডিআইএ। সম্প্রতি পরিদর্শন করা উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও নানা অসঙ্গতি পেয়েছে সংস্থাটি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা জানান, এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী কম থাকায় প্রতিষ্ঠানের আয় কম। এরপরও প্রধান শিক্ষক ও তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি চলছে।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আবিদপুর স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করা হয়েছে ডিআইএ-র পক্ষ থেকে। প্রতিষ্ঠানটিতে ১০ জন শিক্ষার্থী না থাকলেও শিক্ষক আছেন ৩৫ জনের বেশি। এসব শিক্ষককে বেতন সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিমাসে দেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানেও শিক্ষকের জাল সনদ ও ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগ শনাক্ত করেছে তদন্ত প্রতিনিধি।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার মহিলা ডিগ্রী কলেজের একাধিক এমপিওভুক্ত শিক্ষক থাকলেও এই প্রতিষ্ঠানে একজন ডিগ্রি শিক্ষার্থীকেও পাওয়া যায়নি।
তদন্ত দল এসব প্রতিষ্ঠানে এমপিও বন্ধের সুপারিশ করবে বলে জানা গেছে। গেল অর্থ বছরে ডিআইএ ২১০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছে। এরমধ্যে ১৩৪৮টি প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে। জনবল সংকট এসব প্রতিবেদন তৈরি করতে বড় বাধাও বলে মনে করছেন অনেকে।
কাজের গতি বাড়াতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ॥ অভিযোগ নিষ্পন্ন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দিকে নজর দিতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই বিষয়ে ডিআইএকে সম্প্রতি নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্রডশিটে উত্তর দেয়নি তাদেরকে ১৫ দিনের মধ্যে জবাব পাঠানোর নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে। তবে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা স্বীকার করেন যেসব প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে সেসব বিষয়েই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে অনেক প্রতিবেদনের ফাইল চাপা পড়ায় সেভাবেই থেকে যাচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিরীক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি রোধে চার বিভাগে ওয়ার্কশপ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিভাগ রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্কশপে ৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্য থেকে কীভাবে ব্রডশিটে জবাব পাঠাতে হয়, দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়াও দৃশ্যমান ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হলে অনিয়ম কমবে বলেও তিনি মনে করেন। জনকণ্ঠ
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/৩০/০১/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
