তেরো দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হেরে গেলেন নগরীর পাথরঘাটা গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত স্কুলশিক্ষিকা তিষা গোমেজ। গতকাল শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ওই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮।
অনল গোমেজের দুই মেয়ের মধ্যে তিষা গোমেজ (২২) ছিলেন বড়। তিনি নগরীর ইসলামিয়া কলেজে স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি পাথরঘাটার বান্ডেল রোডে সেন্ট জনস গ্রামার স্কুলের জুনিয়র শিক্ষকা ছিলেন। তার বাসা পাথরঘাটার ব্রিকফিল্ড রোডে। স্কুলে যাওয়ার পথে বিস্ফোরণের সময় দেয়ালচাপায় গুরুতর আহত হন তিষা।
সেন্ট জনস গ্রামার স্কুলের অধ্যক্ষ পূরবী সরকার বলেন, তিষা গোমেজ রিকশায় করে স্কুলে যাচ্ছিলেন। বিস্ফোরণে দেওয়াল ভেঙে তার রিকশার ওপর পড়ে। এতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিনি। আজকে খবর পেলাম তিনি মারা গেছেন। একজন চঞ্চল, প্রাণোচ্ছল মেয়ে ছিলেন তিষা গোমেজ।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম আমাদের সময়কে বলেন, দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে তিষা মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন। আইসিইউর সাত নম্বর সিটে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ (শুক্রবার) ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গত ১৭ নভেম্বর সকালে নগরীর কোতোয়ালি পাথরঘাটা ব্রিকফিল্ড রোডে বড়ুয়া ভবন নামে একটি পাঁচতলা বাড়ির নিচতলায় বিস্ফোরণে দেওয়াল বিধ্বস্ত হয়। এতে নারী ও কিশোরসহ সাতজনের মৃত্যু হয়। আহত হয় কমপক্ষে ১০ জন। বিস্ফোরণের ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে এই দুর্ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
