ঢাকাঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার প্রথম ধাপ ও ভাইভা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের ব্যানারের আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে পরীক্ষার্থীরা বলেন, আমরা ২০২৩ সালে আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ১ম ধাপের পরীক্ষার্থী। গত ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের পরীক্ষায় বরিশাল, রংপুর ও সিলেট বিভাগসহ ১৮টি জেলার ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। কিন্তু এ নিয়োগ পরীক্ষা ব্যাপক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অব্যবস্থাপনা ও উত্তরপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হওয়ায় আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভারাক্রান্ত ও হতাশ হয়ে পড়েছি।
মানববন্ধনে আরও বলা হয়, এ মর্মে গত ১২ ডিসেম্বর মৌলিক অধিকারের ১০২ ধারায় হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর কোর্ট ভ্যাকেশনে চলে গেলে আইনজীবী নোটিশ পাঠানো হয় এবং সব অধিদপ্তর বরাবর চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয় এ মর্মে যে কোর্টে ফায়সালা না আসা পর্যন্ত যেন ফল ঘোষণা না করা হয়। একাধিকবার জানানোর পরও ২০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশ করা হয়। যেখানে মোট পরীক্ষার্থীর ২ শতাংশ পাস করানো হয় এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। সরাসরি ডিভাইস জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁসের শিক্ষার্থীদের পাস করানো হয়, যার প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে।
পরীক্ষার্থীরা জানান, গত ৩ জানুয়ারি মামলার রায় জানানো হয় এবং রুলস অ্যান্ড ডিরেকশন ও জি, জি-১কে ২৮ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার জন্যও বলা হয়েছে। এই রায়ের কপি ১৩টি অধিদপ্তরে কোর্ট থেকে পৌঁছানো হয়েছে এবং তাদের কোর্টে জবাব দেওয়ার জন্য জানানো হয়েছে। কোর্ট থেকে তাদের কাছে কাগজ পাঠানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা নিজেও উপস্থিত হয়ে মামলার রায়ের কপি পৌঁছে দিয়েছে। কিন্তু তারা এসব বিষয় তোয়াক্কা না করে ভাইভার ডেট দিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো–
১. প্রথম ধাপের পরীক্ষা ও ভাইভা বাতিল করা।
২. কোর্টের রায়ের জবাব প্রদান করা।
৩. সংশ্লিষ্টদের শাস্তি নিশ্চিত করা।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৪/০১/২০২৪
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
