সারাদেশে পৌষের হাড়-কাঁপানো শীত নেমেছে।চুয়াডাঙ্গা, কিশোরগন্জ ও পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা নেমেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উচ্চবিত্ত আর মধ্যবিত্তদের কাছে শীতের দিনগুলো উৎসবের হলেও নিম্নবিত্ত এবং সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য এক ভয়াবহ দুর্ভোগ।
দেশের বিভিন্ন রেলস্টেশন ও গ্রামাঞ্চলে সাত-সকালে দেখা মিলবে অসংখ্য দুঃখী মানুষের। গৃহহীন মানুষ, পথশিশুদের কষ্টের কোনো শেষ থাকে না শীতকালে। সড়কের পাশে, বাস ও ট্রেন স্টেশনে, বাজার-ঘাটে রাতের বেলা অনেক অসহায় মানুষকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তারা খোলা আকাশের নিচে গায়ে ছালা আর ছেঁড়া কাপড় জড়িয়ে কোনমতে শুয়ে আছে। ক্ষণে ক্ষণে ঠান্ডায় কুঁকড়ে উঠছে। আমরা যখন লেপ-কম্বল গায়ে জড়িয়ে দীর্ঘ রাত সুখ নিদ্রায় বিভোর তখন তাদের রাত কাটে নির্ঘুম অবস্থায় শীতের প্রকোপে জবুথবু হয়ে। যার পেটে ভাত নেই তার গায়ে গরম কাপড় জুটবে কীভাবে! আমরা কি পারি না, তাদের সাহায্যে একটু এগিয়ে আসতে? শীত এলে শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানোর কথা প্রায়ই শোনা যায়। সমাজের সামর্থ্যবান জনদরদি মানুষ ব্যক্তিগতভাবে এবং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য সংগঠন, প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কম্বল, শীতবস্ত্র, খাবার ইত্যাদি দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণ করেন। তরুণরা মহল্লায় মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরোনো কাপড় সংগ্রহ করেন এবং তা গরিবদের মধ্যে বণ্টন করেন।
আমাদের উপার্জিত অর্থের সামান্য পরিমাণও যদি এ সকল অসহায়দের জন্য আমরা বরাদ্দ করি তাহলে বিন্দু বিন্দু সে দান শীতার্তদের কষ্ট লাঘবে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে।মানবিকতার কারনে হাড়-কাঁপানো শীতে অসহায়দের সাহায্যে এগিয়ে আসুন।
*** শিক্ষাবার্তার সকল নিউজ পেতে পেইজটিতে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন***
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
