সালমা বিনতে শফিকঃ সময়টা ছিল ব্রিটিশ ভারতে সিপাহী বিদ্রোহ তথা প্রথম ভারতীয় ব্যর্থ স্বাধীনতা যুদ্ধের দ্বিতীয় দশক। রংপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের গৃহস্বামী জহিরউদ্দীন মোহাম্মদ আলী সাবেরের প্রথম স্ত্রী রাহাতুন্নেসা চৌধুরানীর দুই পুত্র ও এক কন্যার পর জন্ম নেয় দ্বিতীয় কন্যা। তার নাম দেওয়া হয় রোকেয়া। এ নামটি বহুবিধ অর্থ বহন করে; প্রার্থনা, মানুষকে ভালোবাসা দেখানো, আবার জ্যোতির্ময়ী। নামের প্রতিটি অর্থের প্রতিই রোকেয়া সুবিচার করেছিলেন তাঁর সংক্ষিপ্ত অথচ কর্মময়, সংগ্রামী জীবনে। পায়রাবন্দের ক্ষয়িষ্ণু জমিদার আলী সাবেরের রাহাতুন্নেসার পরে আরও তিন জন স্ত্রী ছিলেন। তথাপিও সিপাহী বিদ্রোহের প্রাক্কালে তিনি এক ইংরেজ রমণীর পাণি গ্রহণ করেন এবং তার মনোরঞ্জনের জন্য পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করা সম্পদের অনেকাংশ ব্যয় করেন। শেষ পর্যন্ত ইংরেজ স্ত্রীকে ধরে রাখতে না পারলেও তার একটা চিরস্থায়ী প্রভাব পড়েছে সাবের পরিবারে, যে কথা আমাদের মানতেই হবে।
১৭৫৭ সালের পলাশির যুদ্ধে বাংলার নবাবের পরাজয়কে মুসলমানরা সমপ্রদায়গত পরাজয় হিসেবে ধরে নিয়েছিল। হারানো গৌরবের অহমিকায় পশ্চিমা শিক্ষা ও সংস্কৃতি থেকে দূরত্ব বজায় রেখে তারা এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ঊনিশ শতকের রেনেসাঁ বাংলার হিন্দু সমাজকে দারুণভাবে আলোড়িত করলেও মুসলিম সমাজকে স্পর্শ করেনি। ঠিক শত বছর পর ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর এ অচলায়তন ভাঙা শুরু হয়। সিপাহী বিদ্রোহ ব্যর্থ হবার পর অনেক মুসলমান পরিবারে নতুন উপলব্ধি জন্মায় যে ইংরেজিকে অবজ্ঞা করে তারা সমসাময়িক হিন্দুদের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে, এবং পরিবর্তীত বাস্তবতায় মাথা উঁচু করে বাঁচতে হলে ইংরেজি শেখার বিকল্প নেই। আলী সাবের মুসলমান সমপ্রদায়ের কল্যাণে বা দিন বদলের জন্য কোনো পদক্ষেপ নিয়েছিলেন কি না, জানা না গেলেও স্থানীয় সূত্রমতে তিনি সিপাহী বিদ্রোহে ইংরেজদের সমর্থন দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর পুত্রদেরকে ইংরেজি বিদ্যালয় সেন্ট জেভিয়ার্সে ভর্তি করানোর জন্য পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করেন, যা বিশেষত তাঁর ইংরেজ স্ত্রীর প্রভাবেই বলে অনুমান করা হয়।
পরিবারের সঙ্গে কলকাতা গমন এবং ভাইদের ইংরেজি বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুবাদে রোকেয়ার জীবনেরও বাঁক বদল হয়, যার সুফল বাংলার মুসলমান নারীরা ভোগ করছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। তবে বাংলার মুসলমান নারীর ভাগ্য বদলে জ্ঞানের মশালটা প্রথম জ্বালিয়েছিলেন সাবের পরিবারের বড় মেয়ে করিমুন্নেসা। সহস্র বছরের রক্ষণশীলতার ঝড়ের মুখে পড়ে নিভে যাওয়ার আগেই প্রদীপশিখাটিকে অর্পণ করেন তিনি ছোট বোন রোকেয়ার হাতে। বাংলার হাতেখড়ি দেন নিজ হাতে। পারিবারিক বলয়ে আরবি, ফার্সি আর উর্দু শেখার প্রচলনতো ছিলই। ভাই ইব্রাহীম সাবেরের কাছ থেকে রোকেয়া নেন ইংরেজির পাঠ। অন্তত পাঁচটি ভাষায় দক্ষতা অর্জনকারী রোকেয়ার বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডারের সঙ্গে পরিচয় ঘটে সেই কিশোরীবেলায়। বড় বোনের মতোই সমাজের পক্ষ থেকে আঘাত এসেছিল তাঁর ওপর– একমাত্র বিবাহ আর সংসারধর্মই পারে এই দুর্বিনীত কন্যার মাথা থেকে লেখাপড়ার ‘ভূত’ তাড়াতে। আইবুড়ো মেয়ের জন্য কাছে পিছে কোথাও সুপাত্রের সন্ধান পাওয়া যায় না। অতঃপর বিহারের ভাগলপুর নিবাসী উর্দুভাষী, বিপত্নীক ও প্রাপ্তবয়স্ক এক কন্যার জনক সাখাওয়াত হোসেনের কাছেই কন্যা সমপ্রদান করে ভারমুক্ত হয় সাবের পরিবার। উচ্চশিক্ষিত ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে রোকেয়ার বয়সের পার্থক্য ছিল বিশ বছরের মতো। একালেও বয়স্ক দোজবরের সঙ্গে কিশোরীদের বিয়ে দিতে দেখা যায়। স্বপ্নের সমাধি রচিত হয় তাদের শুভদৃষ্টির আগেই। কিন্তু রোকেয়া এক নতুন জীবন লাভ করেন সাখাওয়াত হোসেনের ঘরে এসে। স্ত্রীর মাঝে বিদ্যা শিক্ষার দুর্বার আকর্ষণ দেখে উদারমনা সাখাওয়াত হোসেন খুলে দেন আলোর দুয়ার। সমাজে চলমান অন্যায়, অন্ধবিশ্বাস, অজ্ঞানতা নিয়ে সহকর্মীর মতো আলোচনা করেন দু’জনে। সমাজের সবচেয়ে নিগৃহিত ‘প্রাণী’ নারীজাতি বিশেষত মুসলমান নারীদের দুর্দশা দেখে প্রাণ কাঁদে তাঁদের। খবরের কাগজে প্রকাশিত নিবন্ধের জন্য স্ত্রীকে অভিনন্দিত করেন স্বামী। অতিপ্রাকৃতিক নারীরাজ্য নিয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ‘সুলতানা’স ড্রিম’ কে পুস্তকাকারে প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। দূরদর্শী সাখাওয়াত হোসেন আবিষ্কার করেন তাঁর বিদুষী পত্নীর মাঝে আছে এক অপার্থিব শক্তি, আক্ষরিক অর্থেই তিনি এক জ্যোতির্ময়ী। তাঁর হাত দিয়ে বদলে যেতে পারে লক্ষ লক্ষ মেয়ের জীবন। কেবলমাত্র লেখাপড়াই হতে পারে তাদের দিন বদলের হাতিয়ার। আর তাই মেয়েদের স্কুল খোলার জন্য সঞ্চিত অর্থ থেকে দশ হাজার টাকা বরাদ্দ করেন সাখাওয়াত হোসেন।
রোকেয়া মা হয়েছিলেন দু দু’বার। কিন্তু মাতৃত্বের যন্ত্রণাটুকু পেলেও স্বস্তিটুকু পাননি। দু দু’টি কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েও মা ডাক শোনা হয়নি তাঁর। বয়স ত্রিশের কোঠায় না পড়তে স্বামীকে হারান তিনি। এমন দুঃসহ সময়ে ভেঙে না পড়ে ছুটে চলেন স্বপ্নের পথে। স্বামী সন্তান হারানো একজন নারী সমাজের বোঝা বৈ অন্য কিছু নয়– সকল কালের জন্যই একথা প্রযোজ্য মনে হলেও রোকেয়া শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে কাজে নেমে পড়েন। ক্লান্তিহীন রোকেয়া ছুটি নেন ঠিক মৃত্যুর (৯ ডিসেম্বর, ১৯৩২) আগে। ‘প্রভু, আমায় কাজ দাও মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত, জীবন দাও কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত’– রোকেয়ার সমসাময়িক ইংরেজ লেখিকা উইনিফ্রেড হল্টবি (১৮৯৮– ১৯৩৫) তাঁর সমাধিফলকে উৎকীর্ণ করার জন্য এই কথাটি লিখে রেখে গিয়েছিলেন, যাকে রোকেয়ার বাণী বলেই মনে হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, একই আদর্শের অনুসারী ছিলেন উইনিফ্রেড ও রোকেয়া। আলস্যের দাসত্ব গ্রহণ করাকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করতেন তাঁরা।
প্রয়াত স্বামীর নামে স্কুল স্থাপন, স্কুলের জন্য ছাত্রী সংগ্রহের জন্য বাড়ি বাড়ি ঘোরা, মানুষের নিন্দা ও তির্যক বানে জর্জরিত হওয়ার নানা বিবরণ রোকেয়া গবেষকদের রচনায় উঠে এসেছে। একালে দু’কলম লিখেই প্রশংসার বন্যায় ভেসে যেতে চাই আমরা। একটু সমালোচনাতেই মুষড়ে পড়ি, খাতা–কলম শিকেয় তুলে রাখি কিংবা সময় বুঝে কলমের গতিপথ বদলে দেই। রোকেয়া ও তাঁর কলম কখনও লক্ষচ্যুত হয়নি। জীবদ্দশাতেই নিন্দিত হয়েছিলেন তিনি ব্যাপকভাবে। বিতর্ক পিছু ছাড়েনি মৃত্যুর পরও। কেবল পুরুষ নয়, হিন্দু মুসলমান অনেক নারীও কঠোর ভাষায় তাঁর সমালোচনা করেছে। অনেকেই তাঁকে ‘যথেচ্ছচারিণী’ ও ‘সমাজের শান্তি ভঙ্গকারী’ বলে অপবাদ দিয়েছেন। তবে হার মানেন নি রোকেয়া।
এই মহীয়সী নারীর মৃত্যুর নয় দশক পার হওয়ার পরও বলা যায়, রোকেয়া একটি শক্তির নাম, সাহসের নাম, আলোর নাম। রোকেয়ার জীবন, রচনা ও সমাজ সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর দর্শনের প্রতিফলন পাওয়া যায়। আজ থেকে শতবছর কিংবা তারও আগে তিনি যা লিখেছেন, বলেছেন বা করেছেন, তার উদ্দেশ্য ছিল একটাই– মৃতপ্রায় বা ঘুমন্ত সমাজকে নাড়া দেওয়া, ধাক্কা দিয়ে জাগিয়ে তোলা। ছত্রে ছত্রে অন্ধকার সমাজকে চাবুক মারা তাঁর রচনাবলীর কিয়দংশ পাঠ করে চমৎকৃত হতে হয়, স্তব্ধ হয়ে যেতে হয়। বিদ্যালয়ের চৌকাঠ না মাড়ানো রক্ষণশীল পরিবারের একজন মেয়ে আত্মশক্তি, আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মমর্যাদার জয়গান গেয়েছেন ঊনিশ শতকের শেষার্ধ হতে। কলমে এত শক্তি তিনি পেলেন কোথা থেকে?
“আমাদের সব কার্যের সমাপ্তি বক্তৃতায়, সিদ্ধি করতালী লাভে”– বাঙালি জাতির জন্মগত এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে রোকেয়া বিদ্রুপ করেছিলেন শতবর্ষ আগে। শতাব্দী পেরিয়ে দেশে বিদেশে জ্ঞান লাভ করে, প্রগতি, আধুনিকতা ও উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে উপনীত হয়েও রোকেয়ার ছুঁড়ে দেওয়া সেই অভিযোগের তীরটিকে আমরা ফিরিয়ে দিতে তো পারি–ই–নি, বরং বক্তৃতার কলেরব দিনে দিনে বাড়িয়ে চলেছি, যা প্রতিনিয়তই মাত্রা ছাড়ায়, রঙ ছড়ায়, আর বিভেদ বাড়ায়। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন অন্তত একটি আলোচনা সভার আয়োজন থাকে, যা প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তি ও কর্মীগণকে নির্ধারিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হয়। অনেক সময় মঞ্চ ও তোরণ নির্মাণ, আলোকসজ্জা, পুস্পস্তবকসহ সাজসজ্জার নানা উপকরণ বাবদ বরাদ্দ হয় লক্ষ লক্ষ টাকা। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কর্তা–কর্মীগণের পক্ষে প্রায়শই নির্ধারিত দায়িত্বটি পালন করা হয়ে ওঠে না। কাজের পাহাড় জমে যায় দপ্তরে দপ্তরে। অতীব জরুরি অতিরিক্ত কাজের মাশুল গুনতে হয় ভুক্তভোগী গ্রাহকদেরকে। কোথাও কোনো জবাবদিহিতার বালাই নেই, প্রয়োজনও হয় না। স্বাধীন দেশে জবাবদিহি থাকবে! তবে আর স্বাধীনতা কোথায়!
স্বাধীনতা আর বিজয় দিবস কাছে এলে আমরা যেমন করে ধুলো–ধোঁয়ায় আবছা হয়ে যাওয়া স্মৃতিসৌধের ধোয়ামোছা ঘষামাজা শুরু করি, রোকেয়া দিবসের আগেও তেমনি করে নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়াকে টেনে বার করি বিস্মৃতির অতল অন্ধকার হতে। কাকতালীয়ভাবেই বিজয় দিবস আর রোকেয়া দিবস ডিসেম্বরে পড়ে যাওয়ায় উৎসবপ্রিয় বাঙালির আনন্দ উৎসবে যুক্ত হয় নতুন মাত্রা। নয় তারিখ জুড়ে রোকেয়া বন্দনা করার নামে তথাকথিত আলোকিত নারীগণ নারীমুক্তির জয়গান করে প্রকারান্তরে নিজ নিজ সাফল্য গাঁথাই উদযাপন করে যান। বক্তৃতার ফুলঝুরি ছোটে সভায় সভায়। নয় তারিখ শেষ হতে না হতেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় বিজয় দিবস উদযাপনের। বিপণি বিতানে থরে থরে সাজানো লাল সবুজ পোশাক; নারী পুরুষ শিশু কিশোর– সকলের জন্য। পুরো পরিবারের জন্য রঙ মিলিয়ে পোশাক ক্রয়ের প্রতিযোগিতা চলে নাগরিক সমাজে। ভাষণের মহড়া শুরু হয়ে যায় আগে থেকেই। ডিসেম্বরের শেষ সূর্য অস্ত যাওয়ার পরই অবসর মেলে বক্তৃতাজীবীগণের।
বড় বেশি নাটকের মহড়া চলে আমাদের ঐতিহ্য, চেতনা আর সংস্কৃতি নিয়ে। আমরা জাঁকজমকের মধ্য দিয়ে দিবস পালনের মাধ্যমে জাতীয় দায়িত্ব পালন করে বাহবা কুড়াই। রোকেয়া দিবসে রোকেয়ার নামে জয়োধ্বনি দেই, প্রাণে ধরি না তাঁকে। পোশাকি মুক্তির স্বাদ নিয়ে আত্মপ্রসাদ লাভ করি, প্রাণের মুক্তির পথ খুঁজি না। অধিকাংশ নারীকে চরম অ–নিরাপদ, অবমাননা আর অমর্যাদার অন্ধকার গলি ঘুপচিতে আবদ্ধ রেখে গুটিকয় ঝলমলে নারী সুদৃশ্য আসন গ্রহণ করে মুক্তির জয়গান গাইবে, সভা সমিতিতে রঙ ছড়িয়ে নারীর ক্ষমতায়নের বিজ্ঞাপন করবে– এমন নারীমুক্তির স্বপ্ন ক্লারা জেটকিন থেকে রোকেয়া কেউই দেখেননি। বাংলাদেশে আজও শত সহস্র পরিবারে প্রবেশাধিকার লাভ করেননি রোকেয়া। তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে কত কী ভাইরাল হয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে যায়! রোকেয়া ভাইরাল হন না। আজকাল শিক্ষিত নারীরাও তাঁকে আর তাঁর আদর্শকে পাঠ করতে ও ধারণ করতে নিদারুণ ব্যর্থতার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। আত্মশক্তি ও আত্মমর্যাদাবোধ নয়, বরং আত্মম্ভরিতা ও আত্মপ্রচারে মগ্ন একটি প্রজন্ম রোকেয়া নামের প্রতি অবিচার করে চলেছে। এর দায়ভার কিন্তু আমাদের মতো মধ্যবর্তী প্রজন্মেরই। পূর্ববর্তী ও পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে সেতু নির্মাণে ব্যর্থ হয়েছি আমরা। এখনও সময় আছে। আত্মমর্যাদাশীল জাতির স্বীকৃতি পেতে হলে আমাদের মেয়েদেরকে এই আত্মঘাতী প্রবণতা থেকে মুক্ত রাখতে হবে। ঘরে ঘরে রোকেয়ার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে।
লেখক : অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/২৪/১২/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
“মুক্তমত ও সাক্ষাৎকার কলামে প্রকাশিত নিবন্ধ লেখকের নিজস্ব। শিক্ষাবার্তা’র সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, শিক্ষাবার্তা কর্তৃপক্ষের নয়।”
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
