১২১ বছরে পদার্পণ করেছে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ। এ উপলক্ষে গতকাল দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়। সকালে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আ ক ম বাহার উদ্দিন বাহার এমপি।
পরে এক আলোচনা সভায় কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. রুহুল আমিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এমরান কবির চৌধুরী, কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবু জাফর খান প্রমুখ। জানা গেছে, শিক্ষা-সংস্কৃতির বিকাশে ব্রিটিশ ভারতে প্রথম পর্যায়ে যে কয়টি কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়, ভিক্টোরিয়া কলেজ তার মধ্যে অন্যতম। গবেষক তিতাশ চৌধুরী লিখেছেন, ‘প্রাচীনত্বের বিচারে এই কলেজটি বুড়োদের দলেই পড়ে’। মূলত এই কলেজটিই ছিল এ অঞ্চলের অন্ধকার যুগের শিক্ষা-সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তবে পাকিস্তান সৃষ্টির পর এই কলেজের নাম পরিবর্তনের চেষ্টা চালায় একটি মহল। ‘ভিক্টোরিয়া’ শব্দটি বাদ দেওয়ার চিন্তা করে মহলটি। শেষ পর্যন্ত তা আর সম্ভব হয়ে উঠেনি। এদিকে, বর্তমানে কলেজটি দুটি অংশে বিভক্ত।
কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় রানীদীঘির পাড়ে কলেজের এইচএসসি (ইন্টারমিডিয়েট) শাখা। আর ধর্মপুরে ডিগ্রি-অনার্স শাখা অবস্থিত। প্রায় ২৮ হাজার শিক্ষার্থীর কলকাকলিতে কলেজটি মুখরিত থাকে। বর্তমানে ২২টি বিষয়ে অনার্স ও ১৯টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। রয়েছে ১২টি সক্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কলেজটির ইন্টারমিডিয়েট শাখার রানীদীঘির পাড়ে বসে তার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতেন, লিখতেন কবিতা। কথিত আছে, এখানে বসেই কবি তাঁর প্রিয়তমা নার্গিসকে প্রেমপত্র লিখে পাঠাতেন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
