সরকারি কর্মকর্তাদের ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হলে তাদের সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত হাজিরা দিতে হয়। লাইব্রেরিতে বসে দাপ্তরিক সময় পার করতে হয়। সরকার প্রয়োজনে তাদের কাজে লাগান। বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ঠিক এর উল্টো চিত্র। তাদের মূল পদ সরকারি কলেজ হলেও অনেকে তদবির করে শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেন।
দুর্নীতিসহ নানা কারণে ওএসডি করা হলেও বাড়িতে বসে নিয়মিত বেতন-ভাতা নেন। আবার অনেক শিক্ষক পছন্দের পোস্টিং (পদায়ন) না পেলে তদবির করে ওএসডি হয়ে সাধারণ মানুষের মতো স্বাধীন জীবনযাপন করেন। আবার কেউ কেউ শিক্ষা ছুটি নিয়ে নির্ধারিত সময়ের পরও ফিরে আসেন না। অথচ শিক্ষক সংকটে ধুঁকছে দেশের সরকারি কলেজগুলো। এমনকি অনেক কলেজে বিষয়ভিত্তিক একজন শিক্ষকও নেই।
সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষকদের ওএসডি কোনো শাস্তি না। অন্য ক্যাডারে ওএসডি অপমানজনক হলেও শিক্ষা ক্যাডারে ‘পাইজ পোস্টিং’। শিক্ষকদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন না দিয়ে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে শাস্তি হিসেবে দুর্গম এলাকার কলেজে পদায়নের মত দিয়েছেন তারা।
সূত্র জানায়, সারা দেশের সরকারি কলেজে ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষক সংকট প্রকট হলেও ২০০৯ সাল থেকে ওএসডি আছেন ইংরেজি বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রব্বানী। তিনি শিক্ষক নেতা মাসুমে রব্বানী খানের ভায়রা। অভিযোগ রয়েছে, ভায়রার প্রভাব খাটিয়ে তিনি ১০ বছর ধরে ওএসডিতে রয়েছেন। সরকারি কলেজে পাঠদান কিংবা প্রশাসনিক কোনো দায়িত্ব পালন না করেই নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। একই বিষয়ের প্রফেসর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়েফ উল্যাকে দুর্নীতির অভিযোগে গত ১৮ জুন ওএসডি করা হয়েছে। প্রফেসর শফিউল মুজ নবীন কবে থেকে ওএসডি সে হিসাব নেই মাউশিতে। এছাড়া সহযোগী অধ্যাপক আফরোজ আরা বেগম, শিব্বীর আহমদ, জাহিদ বিন মতিনকে ওএসডি করে বসিয়ে বসিয়ে বেতন দেওয়া হচ্ছে।
এক হাজার ৩৫৩ কোটি টাকার ‘আইসিটি’র মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার প্রচলন (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পের পিডি প্রফেসর মোহাম্মদ জসিম উদ্দীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় গত বছরের শুরুতে ওএসডি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের এই শিক্ষক ওএসডি হয়ে মনের খুশিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাকে প্রায় দিনই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশিতে শিক্ষক বদলিসহ নানা বিষয়ে তদবির করতে দেখা যায়।
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে গত ৩০ মে ওএসডি করা হয় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর সদস্য প্রফেসর ড. মিয়া ইনামুল হক (রতন) সিদ্দিকীকে। বাংলার এই শিক্ষক ওএসডি হওয়ার পর থেকে শিল্পকলা একাডেমিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। একই বিষয়ে প্রফেসর মোহাম্মদ আইয়ুব ভুঁইয়া, মোহাম্মদ ইউসুফ ও সহযোগী অধ্যাপক ড. কানিজ ফাতেমা, ড. মো. সাহেদুজ্জামান, ড. এস এম মনিরুল হোসেন রাশেদ, সালমা বেগমকে ওএসডি করে রাখা হয়েছে। এসব শিক্ষক ওএসডি হয়ে কলেজে পাঠদান কিংবা সরকারি কাজ ছাড়াই সাধারণ মানুষের মতো স্বাধীন জীবন-যাপন করছেন। অথচ বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজে বাংলা বিষয়ে একজন শিক্ষকও নেই। মাঝে মধ্যে অনার্সের ছাত্রী ইসরাত আরফান ক্লাস নিচ্ছেন। শুধু বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজে নয়; অনেক সরকারি কলেজেরই এ চিত্র।
বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রদীপ বড়ুয়া বলেন, আমার কলেজে বাংলা, গণিত ও দর্শন বিষয়ে কোনো শিক্ষক নেই। কলেজের অন্য বিষয়ের শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষার্থীদের দিয়ে মাঝে মাঝে পাঠদান করা হয়। শিক্ষক সংকটের কারণে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা যায় না।
বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজে দর্শন বিষয়ে একজন শিক্ষক না থাকলেও এ বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম ও মীর আব্দুল হালিমকে ওএসডি করে রাখা হয়েছে। ড. মাহবুবা ইসলামকে গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর প্রফেসর পদে পদোন্নতি দিয়ে মাউশিতে ওএসডি করা হয়। পদায়ন না করায় তিনি নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা তুললেও একজন আদর্শ গৃহিণীর মতো পরিবার নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। শুধু এসব শিক্ষকই নয়, তাদের মতো শতাধিক শিক্ষক সরকারি দায়িত্ব পালন ছাড়াই ঘরে বসে বেতন-ভাতা নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কলেজ) মো. বেলায়েত হোসেন তালুকদার বলেন, ‘আমি সম্প্রতি কলেজ শাখার দায়িত্ব নিয়েছে। এ বিষেয় কিছু বলতে পারবো না।’ তিনি মন্ত্রী বা সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। সচিবের রুটিন দায়িত্ব থাকা অতিরিক্ত সচিব (অর্থ ও প্রশাসন) ড. অরুণা বিশ্বাসকে ফোন করলে তিনি শুনানিতে আছেন বলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বিদেশ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির কাছে ওএসডি হওয়া শিক্ষকদের সঠিক কোনো তথ্য নেই। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ের ৫৮ জন শিক্ষক ওএসডি আছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, দেশের ২৮টি সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ নেই। ২৬টি কলেজে উপাধ্যক্ষ পদ শূন্য। বিভিন্ন বিষয়ের ৫১৭টি প্রফেসর পদের মধ্যে ১৩৬টি পদ শূন্য। সহযোগী অধ্যাপক পদের ২২৩৪টির মধ্যে ২১২টি শূন্য, ৪৩৬৬টি সহকারী অধ্যাপক পদের মধ্যে ৩৮০টি শূন্য ও আট হাজার ১৯৫টি প্রভাষক পদের মধ্যে ১৯০০ পদ শূন্য।
২০১৭ সাল থেকে প্রফেসরসহ বিভিন্ন পদে পদোন্নতি দিলেও ২৬২৮ জনকে পোস্টিং দেওয়া হয়নি। এসব শিক্ষককে ইনসিটু (পদোন্নতির পরও সুবিধামতো জায়গায় থাকতে নিচের পদে চাকরির ব্যবস্থা) ওএসডি করে রাখা হয়েছে। বিভাগীয় পরীক্ষাসহ নানা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে পোস্টিং দেয় মন্ত্রণালয়। কিন্তু অন্যান্য পদে পোস্টিং দিতে কোনো জটিলতা নেই। তারপরও বছরে পর বছর শূন্য পদে পদায়ন দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষক পোস্টিংয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ধরনা দিচ্ছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, টাকা ছাড়া পোস্টিং মেলে না। আবার মন্ত্রণালয় পোস্টিং দিলেও পছন্দ না হলে তদবির করে ওএসডি হন শিক্ষকরা। ফলে দুর্গম এলাকার কলেজে যুগের পর যুগ পদশূন্য থাকছে।
সূত্র জানায়, অনেক শিক্ষক ছুটি ছাড়াই বছরের পর বছর বিদেশে অবস্থান করেন। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সাবেক এপিএস মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে পাঁচ বছরের লিয়েন ছুটির আবেদন করেছিলেন মন্ত্রণালয়ে। ছুটি মঞ্জুর না করায় তিনি কাউকে না জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র পাড়ি দিয়েছেন। এর আগে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সুপারিশে মন্ত্রীর এপিএস থেকে সরিয়ে দিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে বদলি করা হয়েছিল। সংস্কৃতি বিষয়ের এই শিক্ষক বোর্ডে বসেই শিক্ষা ক্যাডারের বদলি পদোন্নতিসহ কলকাঠি নাড়তেন। শিক্ষা ক্যাডারের মূল সিন্ডেকেটের হোতা তিনি। সিন্ডিকেটের দুর্নীতি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে গত বছর রাজশাহী কলেজে বদলি করা হয়েছিল। খুশি হতে না পেরে পাড়ি দেন যুক্তরাষ্ট্রে।
ব্যবস্থাপনা বিষয়ের প্রভাষক শেখ আসাদুল্লাহ প্রথমে তিন বছর প্রেষণ এবং পরবর্তিতে আরও দুই বছর শিক্ষাছুটিসহ পাঁচ বছর ছুটি নিয়ে বিদেশে অবস্থান করেন। এরপরে আরও তিন বছর নয় দিন অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে গত ৮ সেপ্টেম্বর মাউশিতে যোগদান করতে আসেন। বিলম্বে যোগদানের কারণ ব্যাখ্যা চেয়ে দায়িত্ব শেষ করেছে মাউশি। দীর্ঘ সময় ছুটি ছাড়া কোথায় ছিল তার খোঁজ নেয়নি মাউশি। তার মতো আরও অনেকে রয়েছেন।
জানা গেছে, শিক্ষা ক্যাডারের অনেক শিক্ষক পছন্দের পোস্টিং না পেলে তদবির করে ওএসডি হন। সরকারি কোনো দায়িত্ব পালন ছাড়াই মাস শেষে নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা তোলেন। নেই কোনো জবাবদিহিতা। পদোন্নতির ক্ষেত্রেও বঞ্চিত করা হয় না। ওএসডিও হওয়া শিক্ষকদের আরও গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন দেওয়া হয়।
এছাড়া শিক্ষকরা তদবির করে অন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রকল্পে প্রেষণে পদায়ন নেন। কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে প্রেষণ প্রত্যাহারের আদেশ মাসের পর মাস চাপা দিয়ে রাখেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সেকায়েপ (সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট) প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে হয়েছে। এ প্রকল্পে প্রেষণে কর্মরত কয়েকজন শিক্ষককে আজও পদায়ন না দিয়ে ওএসডি করে রাখা হয়েছে।
ওএসডি হওয়া এক জন শিক্ষক আক্ষেপ করে বলেন,‘সারা জীবন সম্মানের সঙ্গে কলেজে চাকরি করেছি। শেষ বয়সে এসে ওএসডি হয়েছি। খুবই খারাপ সময় যাচ্ছে। বেতন-ভাতা সবই আছে, কিন্তু দায়িত্ব নেই, ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াতে পারি না। পরিবারের কাছে মুখ দেখাতে পারি না। তাদের ধারণা হয়তো কোনও অপরাধ করেছি, যার কারণে আমাকে ওএসডি করেছে। আমাকে দুর্গম এলাকার কলেজে বদলি করলেও আমার আপত্তি নেই।’
ডা. দীপু মনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২৪ মার্চ দুর্নীতির কারণে ‘তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় নির্বাচিত বেসরকারি কলেজসমূহের উন্নয়ন প্রকল্পে’র পিডি প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন চৌধুরী, সরকারবিরোধী বই লেখার অভিযোগে মাউশির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মালেককে ওএসডি করা হয়। একই সঙ্গে মাউশির উপপরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর মো. শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকী, মাউশির ঢাকা অঞ্চলের (সেসিপ) পরিচালক প্রফেসর মো. ইফসুফ, মাদ্রাসা বোর্ডের কন্ট্রোলার অব পাবলিকেশন্স শিব্বির আহমেদসহ ১৮ জন শিক্ষককে ওএসডি করা হয়। ৩০ মার্চ আরও ১৩ জনকে ওএসডি করা হয়। এক আলোচনা সভায় ১৫ ও ২১ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডকে ‘নিছক দুর্ঘটনা’ বলায় গত ২৫ আগস্ট ওএসডি করা হয় মাউশির পরিচালক (উন্নয়ন) প্রফেসর জাহাঙ্গীর হোসেনকে। সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর সময়ে দাপিয়ে বেড়াতেন মাউশির প্রশিক্ষণ শাখার সহকারী পরিচালক নিগার সুলতানা। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অপ্রয়োজনে বিদেশ ভ্রমণ, জাতীয় পতাকার আদলে কেক কাটার আয়োজনসহ নানা অভিযোগে গত ২০ জুন তাকে ওএসডি করা হয়। ন্যাশনাল একাডেমি ফর অটিজম অ্যান্ড নিউরো-ডেভেলপমেন্ট ডিজঅ্যাবেলেটিজ (এনএএএনডি) প্রকল্প পরিচালক সালমা বেগমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ওএসডি করা হয়।
এদের মধ্যে প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন চৌধুরীকে কিছু দিন আগে কুমিল্লার একটি কলেজে পদায়ন করা হয়। ঢাকার বাইরে পোস্টিং দেওয়ায় খুশি হতে পারেননি তিনি। ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঢাকায় বদলির জন্য তদবির করতে প্রায় দিনই তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ঘুরঘুর করতে দেখা যায়। পরিবারের সঙ্গে থাকতে ঢাকায় বদলি হতে ব্যর্থ হলে ওএসডি হবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সভাপতি ও রাজধানীর সরকারি কবি নজরুল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আইকে সেলিম উল্লাহ খন্দকার বলেন, ‘শিক্ষা ক্যাডারে শাস্তিমূলক ওএসডি নেই। আমার কলেজসহ সারা দেশের সরকারি কলেজে তীব্র শিক্ষক সংকট রয়েছে। শিক্ষকদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন না দিয়ে দ্রুত পোস্টিং দেওয়া উচিত।’ সূত্র : আজকালের খবর
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
