ঢাকাঃ দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৭টি জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তৃণমূলের ডেঙ্গু আক্রান্তের তথ্য স্বাস্থ্য দপ্তরে পৌঁছাচ্ছে না। তাই সরকারি খাতায় আক্রান্তের সংখ্যা বাস্তবের চেয়ে অনেক কম। ডেঙ্গু পরিস্থিতির আরও অবনিত হতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তরফ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো তথ্যে দেখা যায়, সাত জেলায় ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যায়নি। এগুলো হলো– চুয়াডাঙ্গা, নাটোর, জয়পুরহাট, ঝালকাঠি, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও গোপালগঞ্জ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রাজধানীর ৫৩টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের ডেঙ্গু রোগীর তথ্য সংগ্রহ করে প্রকাশ করে। এ ছাড়া সংগ্রহ করে জেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালের তথ্য। এভাবে মোট আক্রান্তের সংখ্যা তালিকা করে অধিদপ্তর। ফলে মফস্বল এলাকার সব হাসপাতাল-ক্লিনিকের তথ্য বাইরে থেকে যায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, সরকারি ৯৮ শতাংশ হাসপাতালের ডেঙ্গু রোগীর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর তথ্যগুলোও জানার কাজ চলছে। আশা করা যায়, দ্রুত সময়ের মধ্যে সব হাসপাতালের তথ্যই চলে আসবে। করোনার সময় জরুরি উদ্যোগের কারণে সব হাসপাতালের তথ্য একসঙ্গে পাওয়া গেছে। সেটারও চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, ঢাকাসহ দেশের বড় সিটি করপোরেশনগুলো নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানোর কাজ করে। তাদের কিছু মশককর্মী রয়েছেন, তবে তা পর্যাপ্ত নয়। অন্য সিটি করপোরেশনের মশক নিধন ব্যবস্থাপনা আরও নাজুক। জেলা পর্যায়ে মশার ওষুধ ছিটাতে খুব একটা দেখা যায় না। উপজেলা পর্যায়ে দু-একজন মশককর্মী আছেন। আর ইউনিয়ন পর্যায়ে জনবল-যন্ত্রপাতির কিছুই নেই। এ পটভূমিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/০৭/০৭/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
