সভাপতি ও অধ্যক্ষের রোষানলে বন্ধ তিন শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা

বগুড়াঃ জেলা সদরের বগুড়া কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও অধ্যক্ষের রোষানলে পড়ে তিন শিক্ষক-কর্মচারীর বেতনভাতা বন্ধ রয়েছে। এই তিন পরিবারের প্রায় ২০ জন সদস্য ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সেখানে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষক-কর্মচারীরা হলেন প্রভাষক তাহেরা খাতুন, প্রভাষক নাজনিন ও সহকারী লাইব্রেরিয়ান এনামুল হক। তাদের কারো ছয় মাস। আবার কারো দুই বছর পর্যন্ত বেতনভাতা বন্ধ রয়েছে। তাই এসব পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।

জানা গেছে, বগুড়া-সারিয়াকান্দি সড়কের উত্তর পাশে সদরের ধাওয়াপাড়া এলাকায় কলেজটি অবস্থিত। কলেজটির বর্তমান অধ্যক্ষ এ কে এম মঈন উদ্দিন দুখু নিয়োগ জালিয়াতির মাধ্যমে কলেজের অধ্যক্ষ পদে যোগদান করার পর থেকে ওই তিন শিক্ষক-কর্মচারীর বেতনভাতা বন্ধ রয়েছে। তিনি তাদের সাথে কেনো এ ধরনের আচরণ করছেন তার সঠিক কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজ গভর্নিং বডির এক সদস্য জানিয়েছেন, পূর্বের অধ্যক্ষ কে বি এম মুসার আমলে তাদের বেতনভাতা বহাল ছিল।

তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, কলেজটির কোড জটিলতার কারণে ওই তিন শিক্ষক কর্মচারীর বেতনভাতা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কোড জটিলতার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে অধ্যক্ষ জানান, কলেজটি বর্তমান উচ্চমাধ্যমিক কোডে রয়েছে । কিন্তু এই তিন শিক্ষক-কর্মচারী ডিগ্রি কোডে নিয়োগপ্রাপ্ত। কিন্তু কলেজটির বর্তমান বেতনশিটে দেখা গেছে ডিগ্রি কোডের বেতনভাতা উত্তোলনের নমুনা। কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ উচ্চমাধ্যমিক কোডে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও তিনি ডিগ্রি কোডে বেতনভাতা উত্তোলন করছেন।

ওই তিন শিক্ষক কর্মচারীর বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস বন্ধের ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ কে এম মঈন উদ্দিনের সাথে বারবার মোবাইলফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৬/০৫/২০২৩  

দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তা’য়


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.