এইমাত্র পাওয়া
Bangladesh's Mahmudullah prepares to deliver a ball during a practice session at Arun Jaitley Cricket Stadium in New Delhi on November 1, 2019, ahead of the first T20 internatioinal cricket match between Bangladesh and India. (Photo by Sajjad HUSSAIN / AFP) / IMAGE RESTRICTED TO EDITORIAL USE - STRICTLY NO COMMERCIAL USE

তারুণ্যে আস্থা মাহমুদউল্লাহর

দলে নেই অভিজ্ঞ দুই তারকা সাকিব আল হাসান আর তামিম ইকবাল। চোটের কারণে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে নেই অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও। তাতে বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দলে অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ভিড়। অভিজ্ঞ বলতে আছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, লিটন দাস আর মোস্তাফিজুর রহমান। তাতে কিন্তু দুশ্চিন্তার ভাঁজ নেই মাহমুদউল্লাহর কপালে। তারুণ্যেই আস্থা রাখছেন টাইগার দলপতি।

আজ দিল্লিতে সফরের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বেশ চটপটে দেখা গেল মাহমুদউল্লাহকে। তারুণ্যনির্ভর দলকে সাহস জোগালেন এভাবে, ‘নতুন খেলোয়াড়দের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে এবং আমি আত্মবিশ্বাসী, তারা ভালো করবে। তারা চাপে আছে কিন্তু যখন আপনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেন, চাপ আছে জেনেই আপনাকে চলতে হবে। আমি সত্যিই খুব আশাবাদী কারণ এমন ভাবনা আমাদের মাঝে আছে।’

দলের বোলিং বিভাগে অগাধ আস্থা মাহমুদউল্লাহর। তাই আপাতত তার মনোযোগের সবটা ব্যাটিং বিভাগে। তিনি বলেন, ‘টপঅর্ডারে কিছু খেলোয়াড় আছে। মিডল অর্ডারেও এমন কিছু খেলোয়াড় আছে যারা ওপরের দিকেও ব্যাট করতে পারে। এমন ভালো দক্ষতা আছে এবং আশাবাদী, ব্যাটসম্যানরা পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারবে। ব্যাটসম্যানদের ওপরই বেশি চাপ থাকবে, এটা আমার ব্যক্তিগত মতবাদ। এ মুহূর্তে বোলিং বিভাগ নিয়ে তেমন চিন্তিত নই, আমাদের মনোযোগ ব্যাটিং বিভাগে।’

বিগত সময়ে ২০ ওভারের ম্যাচে টাইগার ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স তেমন আশাব্যঞ্জক নয়। তবুও আশায় বুক বেঁধেছেন মাহমুদউল্লাহ, প্রত্যাশা বড় সংগ্রহের। তিনি বলেন, ‘আমাদের বোলিং বিভাগ অভিজ্ঞ এবং দায়িত্বটা বেশি ব্যাটসম্যানদের ওপর। ব্যাটিংয়ে অবশ্যই আমাদের আরও বেশি ধারাবাহিক হতে হবে এবং বোর্ডে বড় সংগ্রহ লিখাতে হবে। বোর্ডে যথেষ্ট রান জমা করতে আমাদের আরও পরিশ্রম করা প্রয়োজন এবং আমাদের বোলারদের প্লাটফর্ম গড়ে দিতে হবে।’

সাকিবের প্রসঙ্গ উঠতেই মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আপনি সাকিবের শূন্যস্থান পূরণ করতে পারবেন না কারণ সে এক দিনে তৈরি হয়নি। ১২ বছরে গড়ে উঠেছে। আমি মনে করি না, অধিনায়কত্ব বোঝা। আমি আগেও এই দায়িত্ব পালন করেছি যখন সাকিব চোটে পড়েছিল। ওর প্রতি আমাদের যে ভালোবাসা ছিল, এখনও সেটাই আছে। বিষয়টি এখন অতীত, আমরা আগামীকালের (আজকের) ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছি। তরুণদের জন্য এটি নিজেদের মেলে ধরার দারুণ সুযোগ।’


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.