বাঘারপাড়া (যশোর) থেকে আজম খাঁনঃঅনাড়ম্বর পরিবেশে কিছুটা গোপনীয় কায়দায় এবং স্বল্প আয়োজনের মধ্য দিয়ে চলছিল বিয়ের আনন্দ উৎসব। কিছু আত্মীয় স্বজনের খাওয়া–দাওয়ার আয়োজনও ছিল । বর নিয়ে বরযাত্রীও এসেছিল বিয়ে বাড়িতে। খাওয়া-দাওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত বিয়ের অাসরে ভিআইপি মেহমান হিসাবে বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফসারের উপস্থিতির করনে বিয়ে নামক নতুন অধ্যায় থেকে রক্ষা পেল ১০ম শ্রেনীর এক ছাত্রী।
শুক্রবার ( ১ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে বাঘারপিড়ার জহুরপুর ইউনিয়নের মাঝিয়ালী গ্রামে চলছিল কনে শাহানাজ পারভিন (১৫) কে বউ সাজানোর প্রস্তুতি। বাল্য বিয়ের এমন খবর পেয়ে কনের বাড়িতে হাজির হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজ। বাল্য বিয়ে আয়োজনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কনের বাবা ও মাকে ১৫ দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। শাহানাজ জহুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।
কনের বয়স কম থাকায় শুক্রবার গভীর রাতে গোপনে বিয়ে দেওয়ার কথা হয় বলে জানা যায়। সময়মত বরপক্ষও বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জানতে পেরে বরপক্ষ কনের বাড়িতে থেকে পালিয়ে যায়। বরপক্ষের নাম ঠিকানা বলতে কনের মা-বাবা রাজি হননি।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজ বলেন, বাল্য বিয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মেয়ের পিতা-মাতাকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল বর পক্ষকেও আইনের আওতায় আনার, কিন্তু তাদেরকে বিয়ে বাড়ি পাওয়া যায়নি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
