যিনি ঝারছেন তিনি সম্ভবত একজন ‘জেলা প্রশাসক’। একজন প্রধান শিক্ষককে ঝারছেন। একজন চেয়ারম্যান, সম্ভবত ইউনিয়ন পরিষদের, তার সাথে যেভাবে কথা বলছেন তাতে মনে হতে পারে যে, রাষ্ট্রের এই কর্মচারী একজন জনপ্রতিনিধির ওপরওয়ালা। একজন জনপ্রতিনিধি, তিনি যে পর্যায়েরই হন না কেন, তার এলাকার সকলের নির্বাচিত প্রতিনিধি, তার সাথে এভাবে কথা বলার এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা তো যায়, না কি?
ডিসি, ডাইরেক্ট কারেন্ট; ডিস ক্লিনার, ডিস্ট্রিক্ট কমিশনার না কি ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর? এই যে ব্যভিচারী বাঙলা “জেলা-প্রশাসক”, কে ব্যবহার করে? ইনারাই তো? এই ইংরেজি জানা লোকজন কী সুন্দর বাঙলা বানাইছেন ডিসি’র! ইনারা না কি বাঙলা ইংরেজি জানেন!
আমার ঢাকার বাসার দাড়োয়ান আলম ভাই আমার চেয়ে ভাল হিন্দি ইংরেজি পারেন, আর চট্টগ্রামের দারোয়ান ইউনুস চাচা আমার চেয়ে ভাল চাটগাইয়া ভাষা পারেন, তো? এ দিয়ে কী বোঝায়? লন্ডনের ভাল ইংরেজি পারা ঝাড়ুদারকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বানায় দিতে হবে? এই তো বলতে চান, ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া সাহেব!
স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গার লেখাপড়ারই যাচ্ছে তাই অবস্থা। তদারকি চাই। পরিবর্তন চাই। কিন্তু এই ভাবে অপমান অপদস্ত করা কি যায়, না তা সঙ্গত? ‘লাঠি দিয়া এই মাস্টারগুলাকে পিটায়া…’ কী ভয়ানক পরামর্শ দিচ্ছেন, এই লোক?
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
