নিজস্ব প্রতিবেদক, মৌলভীবাজারঃ জেলার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোতাহার বিল্লাহর অনিয়মের তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠেছে। তদন্ত কর্মকর্তা নিজে ফোন করে শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিচ্ছেন। ৩৫ দিনেও তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার এমন কাণ্ডে শিক্ষক ও জেলার সচেতনমহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজার সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোতাহার বিল্লাহর অনিয়মের তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিশালয় চক্রবর্তীকে।
উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কর্মরত একাধিক শিক্ষক জানান, ১৫ ফেব্রুয়ারি আলী আমজাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসবে লামাকাগাবলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চ. দা.) ধনেশ্বরী সিনহার কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নেন তদন্ত কর্মকর্তা কিশালয় চক্রবর্তী। পরে বেকামুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাপলা দত্তকেও ফোন করে তদন্ত কর্মকর্তার অফিসে নিয়ে আরেকটি প্রত্যয়নপত্র নেন। এ বিষয়ে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিশালয় চক্রবর্তী বলেন, তদন্তের স্বার্থে ডিপিও পরামর্শে আমি কয়েকজন শিক্ষকের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়েছি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামছুর রহমান বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা এরকম করার কথা নয়। খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
শিক্ষাবার্তা ডট কম/এএইচএম/১৮/০৩/২০২৩
দেশ বিদেশের শিক্ষা, পড়ালেখা, ক্যারিয়ার সম্পর্কিত সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, ছবি, ভিডিও প্রতিবেদন সবার আগে দেখতে চোখ রাখুন শিক্ষাবার্তায়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
