এইমাত্র পাওয়া

একজন ননএমপিও শিক্ষকের করুণ গল্প

হায়রে ননএমপিও জীবন! ননএমপিও থেকেই অবসরে চলে গেছেন সীমাবাড়ী মহিলা কলেজ, শেরপুর,বগুড়ার আসাদুল ইসলাম। মঙ্গলবার ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের ডাকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলনে উপস্থিত হয়ে ননএমপিও শিক্ষক হিসেবে অবসরে চলে যাওয়ার কথা গুলো বলে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে কাঁদলেন তিনি। কাঁদালেন হাজার হাজার ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে জীবনের না পাওয়ার কথাগুলো বলে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন তিনি। আক্ষেপের সুরে বলছিলেন, আজ ক্ষমতা আছে, কালকে থাকবে না, উত্থানের পতন আছে। জোয়ার ভাটার বাংলাদেশে জোয়ারের পর ভাটা হবেই। আমি অভিশপ্ত ননএমপিওর যন্ত্রণা বুকে নিয়ে ধুকে ধুকে মরবো। জীবনের স্বপ্নগুলো তো আমার আর পূরণ হলো না। আমার দুইটি মেয়ে আছে। ওরা মাস্টার্স করছে, আপনারা ওদের জন্য দেয়া করবেন। ওরা যেন, ননএমপিওর বাবার আদর্শ নিয়ে ভালে কিছু করতে পারে।

আমার শেষ ইচ্ছা, আমি তো এমপিওর স্বাদ গ্রহণ করতে পারলাম না,আমার প্রতিষ্ঠানসহ সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এই মুহূর্তে একযোগে এমপিওর ঘোষণা শুনতে চাই। এতেই আমার অতৃপ্ত জীবনের সকল চাওয়া পূরণ হবে। ইনশাল্লাহ।

পরিশেষে, সবার কাছে দোয়া চাই,জীবনের বাকী সময়টুকু যেন মানবসেবায় উৎসর্গ করে, মৃত্যুকে বরণ করতে পারি। মহান আল্লাহর কাছে এটুকুই কামনা করি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.