নিউজ ডেস্ক।।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়া উচিত। আর খুলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দুই বছরের শিখন ঘাটতি পূরণে কার্যকর উদ্যোগও নিতে হবে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আমাদের সময়ের সঙ্গে আলাপকালে এই পরামর্শ দেন তিনি।
মঞ্জুর আহমেদের মতে, করোনা সংক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাব্যবস্থার জন্য প্রয়োজন একাডেমিক ও ব্যবস্থাপনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম সরকার এখনো শেষ করতে পারেনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে করোনা সংক্রমণ এড়ানো যাবে আর কতদিন? বিশে^র বিভিন্ন দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। আমাদেরও সেদিকে যেতে হবে।
আমাদের শিক্ষার্থীদের শতভাগ টিকার আওতায় আনতে হবে। এখন পাঁচ বছরের শিশুদেরও টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা কেন পিছিয়ে আছি। আমাদের ১২ থেকে ১৭ বছরের সব শিক্ষার্থীর টিকা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। এটি দ্রুত করতে হবে।’
এই ইমেরিটাস অধ্যাপক বলেন, ‘আমরা সরকারের কোনো ঘোষণা দেখতে পাইনি। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ঘাটতি পূরণের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাব্যবস্থায় কী ধরনের কৌশল নেওয়া হবে, তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন সরকারের। এমনকি যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছিল, তখনও এর কোনো প্রতিফলন ছিল না।
আমরা আশা করছি, এখন করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দিতে হবে। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা পুনরুদ্ধারে অন্তত তিন থেকে পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা নিতে হবে সরকারকে। এতে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করাসহ বাড়তি ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে।’ #নিজস্ব প্রতি
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
