স্পোর্টস ডেস্ক।।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেমি সিডন্স। দুই বছরের জন্য এই দায়িত্ব নিতে বুধবার বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব সামলেছেন সিডন্স। পেশাগত দায়িত্ব পালনে ‘দ্বিতীয় কিস্তিতে’ ঢাকায়
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেমি সিডন্স। দুই বছরের জন্য এই দায়িত্ব নিতে বুধবার বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব সামলেছেন সিডন্স। পেশাগত দায়িত্ব পালনে ‘দ্বিতীয় কিস্তিতে’ ঢাকায় পা রাখলেন এই অস্ট্রেলিয়ান। বুধবার বিকেলে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন সিডন্স।
সিডন্সের ভূমিকা প্রসঙ্গে বুধবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘জেমি সিডন্সের বিষয়টা আসলে ওনাকে নেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাটিং কনসালটেন্ট হিসেবে।’
সঙ্গে যোগ করেন নিজামউদ্দিন, ‘আপনারা জানেন অ্যাশওয়েল প্রিন্স কিন্তু আমাদের ন্যাশনাল টিমের ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করছেন। সো দুজন আমাদের এখন ব্যাটিং কোচ আছেন, স্পেশালিশস্ট ব্যাটিং কোচ। এখন পর্যন্ত যেটা আছে, প্রিন্স আমাদের জাতীয় দলের কোচ হিসেবে আছেন এবং জেমি সিডন্স বোর্ডের ব্যাটিং কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করবেন।’
জেমি সিডন্স ২০০৭ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর তিনি পদত্যাগ করেন। সিডন্সের অধীনে বাংলাদেশ দল ১৯ টেস্টের মধ্যে ২টি জিতেছে, হেরেছে ১৬টি।
ওয়ানডেতে ৮৪ ম্যাচে ৩১ জয়ের বিপরীতে পরাজয় ছিল ৫৩ ম্যাচে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ৮ ম্যাচে সবগুলোই হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সিডন্সের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল আজকের এই পঞ্চপাণ্ডব তৈরিতে ভূমিকা রাখা। তার আমলে টাইগার ব্যাটসম্যানদের উন্নতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এখনও সাকিব-তামিমরা তাদের পারফর্মেন্সের কৃতিত্ব সিডন্সকে দেন।
পা রাখলেন এই অস্ট্রেলিয়ান। বুধবার বিকেলে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন সিডন্স।
সিডন্সের ভূমিকা প্রসঙ্গে বুধবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘জেমি সিডন্সের বিষয়টা আসলে ওনাকে নেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাটিং কনসালটেন্ট হিসেবে।’
সঙ্গে যোগ করেন নিজামউদ্দিন, ‘আপনারা জানেন অ্যাশওয়েল প্রিন্স কিন্তু আমাদের ন্যাশনাল টিমের ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করছেন। সো দুজন আমাদের এখন ব্যাটিং কোচ আছেন, স্পেশালিশস্ট ব্যাটিং কোচ। এখন পর্যন্ত যেটা আছে, প্রিন্স আমাদের জাতীয় দলের কোচ হিসেবে আছেন এবং জেমি সিডন্স বোর্ডের ব্যাটিং কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করবেন।’
জেমি সিডন্স ২০০৭ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর তিনি পদত্যাগ করেন। সিডন্সের অধীনে বাংলাদেশ দল ১৯ টেস্টের মধ্যে ২টি জিতেছে, হেরেছে ১৬টি।
ওয়ানডেতে ৮৪ ম্যাচে ৩১ জয়ের বিপরীতে পরাজয় ছিল ৫৩ ম্যাচে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ৮ ম্যাচে সবগুলোই হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সিডন্সের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল আজকের এই পঞ্চপাণ্ডব তৈরিতে ভূমিকা রাখা। তার আমলে টাইগার ব্যাটসম্যানদের উন্নতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এখনও সাকিব-তামিমরা তাদের পারফর্মেন্সের কৃতিত্ব সিডন্সকে দেন।
সিডন্সের ভূমিকা প্রসঙ্গে বুধবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘জেমি সিডন্সের বিষয়টা আসলে ওনাকে নেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাটিং কনসালটেন্ট হিসেবে।’
জেমি সিডন্স ২০০৭ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর তিনি পদত্যাগ করেন। সিডন্সের অধীনে বাংলাদেশ দল ১৯ টেস্টের মধ্যে ২টি জিতেছে, হেরেছে ১৬টি।
ওয়ানডেতে ৮৪ ম্যাচে ৩১ জয়ের বিপরীতে পরাজয় ছিল ৫৩ ম্যাচে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ৮ ম্যাচে সবগুলোই হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সিডন্সের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল আজকের এই পঞ্চপাণ্ডব তৈরিতে ভূমিকা রাখা। তার আমলে টাইগার ব্যাটসম্যানদের উন্নতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এখনও সাকিব-তামিমরা তাদের পারফর্মেন্সের কৃতিত্ব সিডন্সকে দেন।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
