দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চাই

বাংলাদেশে ঘুষ ও দুর্নীতির বিষয়টি স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৃতীয় বিশ্বের এই দেশ টানা পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সরকারি দপ্তরগুলোতে দুর্নীতি বেশি হয়। দুর্নীতির কারণে সরকারি বিভিন্ন কাজে বিপুল পরিমাণ টাকা নষ্ট হয়। কাজের ব্যয়ও বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে রূপপুরের বালিশকাণ্ড কিংবা পর্দা কেনায় অনিয়ম বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানতে পেরেছি। এসব খবর পড়ে বড় চিন্তা হয়—দুর্নীতি কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

 

এখন টাকা ও রাজনীতির জোর না থাকলে সরকারি চাকরি পাওয়া কষ্টসাধ্য। সামান্য পিয়নের চাকরি পেতে হলেও বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হয়। টাকা না থাকায় মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও অনেকে চাকরির নাগাল পায় না। ফলে অনেক মেধাবী সরকারি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারে না। আবার টাকা দিয়ে যারা চাকরি পায় তারা সেই টাকা তোলার জন্য অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। মানুষের কাছ থেকে ঘুষ ও উপঢৌকন নেয়। ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না।

 

শুধু কথায় কথায় সরকারকে দুর্নীতির জন্য দোষারোপ করলে কাজ হবে না। সরকারের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থ পরিহার করে দেশের স্বার্থে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কিন্তু বড় ভূমিকাটি পালন করতে হবে সরকারি অফিস ও দপ্তর থেকে। এ বিষয়ে সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ জরুরি।

আলী ফজল মোহাম্মদ কাওছার, সিলেট।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.