বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারদের নাম প্রকাশ করেছে আইসিসি

অনলাইন ডেস্ক।।

করোনার পেটে গত বছর পুরোটা ক্রিকেট সূচি। কিন্তু এ বছর করোনাকে পাশ কাটিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছে ক্রিকেট। মাঠে গড়িয়েছে মোট ৪৪টি টেস্ট। তাই বছর শেষে বর্ষসেরা পুরুষ টেস্ট ক্রিকেটারও খুঁজতে নেমে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের জন্য চারজনকে বেছে নিয়েছে আইসিসি।

তারা হলেন, ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুট, ভারতের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন, নিউজিল্যান্ডের পেসার কাইল জেমিসন ও শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে।
জানুয়ারির ২৪ তারিখে বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করবে আইসিসি। আইসিসির সিইও জিওফ অ্যালার্ডিস, বিশ্বের বিশিষ্ট ক্রিকেট সাংবাদিক এবং সম্প্রচারকদের সমন্বয়ে গঠিত অ্যাওয়ার্ড প্যানেল মনোনীতদের নির্বাচিত করবেন।

ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট টেস্ট ক্রিকেটে একবর্ষ পঞ্জিকায় ১৫ ম্যাচে ছয় সেঞ্চুরিতে ১ হাজার ৭০৮ রান করেছেন। এতে তিনি টেস্টের ইতিহাসে এক বর্ষপঞ্জিতে ১৭শর বেশি রান করা তৃতীয় ক্রিকেটার হন। রুটের আগে এ নজির গড়েন পাকিস্তানের মোহাম্মদ ইউসুফ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্যার ভিভ রিচার্ডস। ২০০৬ সালে ইউসুফ ১৭৮৮ রান, ১৯৭৬ সালে রিচার্ডস ১৭১০ রান করেছিলেন।

ব্যাট হাতে প্রতিপক্ষ বোলারদের কচুকাটা করার পাশাপাশি বল হাতেও উজ্জ্বল ছিলেন অকেশনাল স্পিনার রুট। দলের প্রয়োজনে আক্রমণে এসে এনে দিয়েছেন ব্রেক-থ্রু। তুলে নিয়েছেন মোট ১৪ উইকেট। তার সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৮ রানে ৫ উইকেট। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে আহমেদাবাদে ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন তিনি।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ভারতের স্পিনার রবিচন্দন অশ্বিন। যিনি এ বছর সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীও। ১৬ দশমিক ২৩ গড়ে ৮ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ৫২ উইকেট। উইকেট শিকারের সংখ্যাটা বাড়তে পারে। কেননা সেঞ্চুরিয়নে চলছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ। ব্যাট হাতেও লোয়ার-অর্ডারে দারুণ ছন্দে ছিলেন তিনি। এক সেঞ্চুরিতে ২৮ দশমিক ০৮ গড়ে করেছেন ৩৩৭ রান। 
অস্ট্রেলিয়া সফরে সিডনি টেস্ট ড্রয়ে বড় ভূমিকা রাখেন অশ্বিন। দ্বিতীয় ইনিংসে সাত নম্বরে নেমে ১২৮ বলে খেলেন অপরাজিত ৩৯ রানের ইনিংস। ঘরের মাঠে ইংলিশদের বিপক্ষে চার টেস্টে তুলে নেন ৩২ উইকেট। সাউদাম্পটনে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ উইকেট নেন অশ্বিন। ওই ম্যাচটি হেরে রানার্সআপ হয় ভারত।

তৃতীয় স্থানে রয়েছেন এ বছর নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী জেমিসন। মাত্র ৫ টেস্ট থেকে ২৭ উইকেট নেন তিনি। কিউইদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠার পেছনে বড় অবদান ছিল ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভিষেক হওয়া ডানহাতি পেসার জেমিসনের। সাউদাম্পটনের সেই ফাইনালে ৭ উইকেট নেন জেমিসন। হয়েছিলেন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ও।

চতুর্থ স্থানে রয়েছেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। শ্রীলঙ্কার হয়ে এ বছর ৭ ম্যাচে করেছে ৯০২ রান। বছরে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান তার। ব্যাট হাতে চারটি সেঞ্চুরিও রয়েছে তার। গড় ৬৯ দশমিক ৩৮। পাল্লেকেলেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.