বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি।।

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ থার্টিফার্স্ট নাইট ঘিরে সারাদেশে তিন স্তরের নিরাপত্তাবলয় গড়ে তুলবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পোশাকী টহল পুলিশ ও পাশাপাশি সাদা পোশাকের পাশাপাশি যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্টাইকিং ফোর্স মজুদ থাকবে। এ ছাড়া জল, স্থল ও আকাশপথে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা সমন্বয়

করে নিরাপত্তায় কাজ করবেন বলে জানা গেছে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আমাদের সময়কে বলেন, বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট ঘিরে সব ধরনের ঝুঁকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সদরদপ্তর থেকে সারাদেশের ব্যাটালিয়নগুলোতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও স্থানগুলোয় সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও ইউনিফর্ম টহল বৃদ্ধি করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া র‌্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইন নজরদারির মাধ্যমেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

তিনি আরও জানান, র‌্যাবের টহল জোরদার করার পাশাপাশি দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডগ স্কোয়াড ও র‌্যাবের বোম্ব স্কোয়াডের যৌথ সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যে কোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‌্যাবের স্পেশাল ফোর্স ও এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টারও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ধরনের উৎসবে ভেজাল মদে মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু করেছি। উৎসব কেন্দ্র করে মাদক ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে কাজ করছে র‌্যাব।

ডিএমপির পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, নাশকতামূলক ও সহিংস ঘটনা প্রতিরোধে উৎসব অনুষ্ঠান ঘিরে থাকবে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি এবং ‘বোম্ব সুইপিং’ করা হবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াতের বিশেষায়িত টিম এবং বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকবে। বড়দিন উপলক্ষে চার্চে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকা ও প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত নজরদারি ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চার্চে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য থাকবে। চার্চ এলাকায় ভাসমান দোকান বা হকার বসতে দেওয়া হবে না।

উৎসব ঘিরে গুজব রোধে সাইবার মনিটরিং সেলগুলো কাজ করছে উল্লেখ করে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেন, গুজব রোধে সাইবার মনিটরিং সেলের সাইবার নজরদারি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.