অনলাইন ডেস্ক।।
পায়রা বন্দর প্রতিষ্ঠার পর থেকে আয় হয়েছে ৩২৭ কোটি টাকা। এ সময়ে বন্দরে ১৬২টি জাহাজ চলাচল করেছে। বন্দরের মূল চ্যানেলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হাইড্রোগ্রাফ সার্ভে জাহাজের মাধ্যমে নিয়মিত সার্ভে হচ্ছে। মাল্টিপারপাস ভবন, ওয়ার্কশপ ও পঞ্চমতলা অফিসার্স কোয়ার্টার নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া গত অক্টোবর পর্যন্ত পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৮৩.৩৯ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এ সময়ে আর্থিক অগ্রগতি ৭০.৫২ শতাংশ।
বৈঠকের কার্যপত্র থেকে আরও জানা যায়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েটের) মাধ্যমে পায়রা বন্দরের একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল, ৬৫০ মিটার জেটি ও ব্যাকআপ ইয়ার্ড নির্মাণ, ছয় লেন বিশিষ্ট ৬.৩৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সংযোগ সড়ক নির্মাণ, আন্দার মানিক নদীর ওপর সেতু নির্মাণ, টার্মিনালের যন্ত্রপাতি ক্রয় কাজের বাস্তব অগ্রগতি ১৬.৭০ শতাংশ। রাবার বাগান চ্যানেলের প্রায় ৭৫ কিলোমিটার ড্রেজিং কাজের বাস্তব অগ্র্রগতি ৩ শতাংশ। এ ছাড়া একটি ব্লাক ইয়ার্ড, দুটি কয়লা ইয়ার্ডসহ ৭০০ মিটার জেটি নির্মাণ কাজ চুক্তি পর্যায়ে চলমান রয়েছে। এ সময়ে বন্দর উন্নয়নে ৩ হাজার ৮৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ২০০২১-২২ অর্থ বছরে ৩০০ কোটি টাকা এডিপি বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে ২১ কোটি ৫৩ রাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। আর্থিক ব্যয়ের পরিমাণ ৭.১৮ শতাংশ। বাস্তব অগ্রগতি ১৪.৪৪ শতাংশ।
এ ছাড়া নদী কমিশনের কাছে সারা দেশের নদীগুলোর মধ্যে কোন নদীর কী পরিমাণ জমি বেদখল হয়েছে, এর মধ্যে কতগুলো নদী উদ্ধার করা সম্ভব, কতগুলো নদী আশিংকভাবে উদ্ধার সম্ভব, কোনগুলো উদ্ধার করা বেশ সময় সাপেক্ষ হবে- এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন চেয়েছে সংসদীয় কমিটি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
