রবিবার সকাল ১১টায় ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগাং (ইউএসটিসি) গবেষণা সেল কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কনফারেন্স হলে আয়োজিত ভূমিকম্প সচেতনতা সৃষ্টি ও করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলা হয়।
ইউএসটিসির উপাচার্য প্রফেসর ড.ইঞ্জিনিয়ার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, স্কুল-কলেজের টেবিলগুলো টেকসই করতে হবে, যাতে ভূমিকম্পে সেগুলোকে কাজে লাগানো যায়। শিক্ষার্থীরা সেখানে আশ্রয় নিতে পারে। আমরা ইতিমধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টেবিলগুলো কেমন হবে, তার একটি বর্ণনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দিয়েছি। কিন্তু এখনও কোনও স্কুলে সেটির প্রতিফলন দেখতে পাইনি।
এ সময় ইউএসটিসির উপাচার্য নগরের ১ লাখ ৮৩ হাজার ভবনের মধ্যে ১ লাখ ৪২ হাজার ভবন ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।
ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহেশখালী-মাতারবাড়ির উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সঠিক পদ্ধতিতে হওয়ার জন্য আলাদা দফতর খোলার দির্দেশ দিয়েছেন, যাতে সেখানে টেকসই উন্নয়ন হয়। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে হয়। যেহেতু সেখানে গভীর সমুদ্র বন্দর হচ্ছে সেহেতু ভবনগুলো নির্মাণেও আগেভাগে ভূমিকম্প প্রতিরোধক সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
কক্সবাজারের যে ভবন আর হোটেল নির্মিত হয়েছে সেগুলোর বালি- মাটির আধিক্য বেশি। তাই সেগুলোতে ঝুঁকিও বেশি। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকম্প প্রকৌশল গবেষণা কেন্দ্রের তথ্যে উঠে এসেছে, কর্ণফুলী নদীর তীর ঘেঁষে যে বহুতল ভবন নির্মিত হয়েছে সেগুলো ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই আমাদের আগে থেকে সতর্ক হতে হবে। সেখানকার প্রত্যেকটি বিল্ডিং দেখে দেখে ঠিক করতে হবে। সেই সঙ্গে টেকসই ভবন নির্মাণ করতে হবে। বিল্ডিং কোড ফলো করতে হবে। নির্মাণ রীতি অনুসরণ করতে হবে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
