নিউজ ডেস্ক।।
পাঁচ ব্যাংকের প্রশ্ন ও উত্তর ফাঁস চক্রের দুজন গতকাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চক্রের মুক্তারুজ্জামান রয়েল ও শামসুল হক শ্যামল নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডিবির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) শাহাদাত হোসেন সুমা।
এ ছাড়া প্রশ্ন ফাঁস চক্রের আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তারা হলেন আবির হাসান তাহা ও হারুন অর রশিদ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে হাজির করেন ডিবির তদন্ত কর্মকর্তা। ডিবিসূত্র জানান, ১০ নভেম্বর রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রশ্ন ফাঁস চক্রের তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
তারা হলেন জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এমদাদুল হক খোকন, সোহেল রানা ও ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী এ বি জাহিদ। এর আগে গ্রেফতার হন মুক্তারুজ্জামান রয়েল, শামসুল হক শ্যামল, জানে আলম মিলন, মোস্তাফিজুর রহমান মিলন ও রাইসুল ইসলাম স্বপন।
এদিকে আদালতসূত্র জানিয়েছেন, আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি টেকনিশিয়ান মুক্তারুজ্জামান রয়েল ও জনতা ব্যাংক গুলশান শাখার অফিসার শামসুল হক শ্যামল গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদা আক্তারের আদালতে জবানবন্দি দেন। একই সঙ্গে অন্য চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
এর আগে ১০ নভেম্বর মুক্তারুজ্জামান রয়েল, শামসুল হক শ্যামল ও মোস্তাফিজুর রহমান মিলনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক। ওইদিন রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার জানে আলম মিলন ও চাকরিপ্রার্থী রাইসুল ইসলাম স্বপনের রিমান্ড নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন এমদাদুল হক খোকন, সোহেল রানা ও আবদুল্লাহ আল জাবেদ জাহিদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
