অনলাইন ডেস্ক।।
মহামারি করোনাভাইরাস রোধে ৭ সেপ্টেম্বর থেকে গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহা পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম।রবিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
খুরশীদ আলম বলেন, টিকা পাওয়া সাপেক্ষে আমরা দ্রুততম সময়ে সবাইকে টিকার আওতায় নিয়ে আসবো।
তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের সবগুলো জেলায় চিকিৎসক সংকট রয়েছে। আমরা নতুন নিয়োগকৃত চিকিৎসকদের নিজ জেলায় পদায়নের চেষ্টা করবো। ৫০ বেডের যে সকল হাসপাতালে অপারেশনের সুযোগ রয়েছে সেখানে অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক দেয়া হবে।
ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি ডোজ টিকা কেনার জন্য গত বছরের শেষ দিকে চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। সেই টিকার প্রথম চালান পাওয়ার পর ৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে গণ টিকা দেয়া শুরু হয়।
কিন্তু সেরাম ইনস্টিটিউট দুই চালানে ৭০ লাখ ডোজ পাঠানোর পর ভারত রফতানি বন্ধ করে দিলে টিকার সঙ্কটে পড়ে বাংলাদেশ। পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় ২৫ এপ্রিল দেশে প্রথম ডোজ দেয়া বন্ধ হয়ে যায়।
তখন সরকার অন্য উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করে। চীন থেকে জরুরিভাবে সিনোফার্মের টিকা কেনার চুক্তি করা হয়। এখন সিনোফার্মের টিকার পাশাপাশি কোভ্যাক্স থেকে ফাইজার, মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ।
কিছু টিকা হাতে পাওয়ার পর মহামারীর বিরুদ্ধে সুরক্ষা বলয় তৈরি করতে গত ৭ অগাস্ট থেকে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে ছয় দিনের গণটিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে সরকার। এতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া মিললেও সরবরাহ কম থাকায় অনেককে টিকা না পেয়ে ফিরে যেতে হয়।এখন আবার বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা সংগ্রহে গণটিকা দেয়া শুরু করেছে সরকার।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
