নিউজ ডেস্ক।।
আটকে থাকা চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। রোববার (২৯ আগস্ট) একাডেমিক কাউন্সিলের সভা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী।
এদিকে মার্স্টাসের চূড়ান্ত সেমিস্টারের পরীক্ষা দিয়ে শুরু করার খবরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়েরর বিভিন্ন গ্রুপে মন্তব্য করছেন তারা। তাসিন আহমেদ নামের রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, এটা কি ধরনের সিদ্ধান্ত? স্নাতক অফলাইনে নিবে না, অনলাইন এর ব্যবস্থা করুক দ্রুত। সেটাও করবে না।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, আজ সকালে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় অনলাইন ও অফলাইনে পরীক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরীক্ষা অনলাইন বা অফলাইন হবে কিনা তা সিদ্ধান্ত নিবে অনুষদ। অনুষদ চাইলে অনলাইন বা অফলাইনে পরীক্ষা নিতে পারবে। তবে স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত সেমিস্টারের পরীক্ষা দিয়ে সশরীরে শুরু হবে চূড়ান্ত পরীক্ষা।
কবে নাগাদ পরীক্ষা শুরু হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিকেল তিনটায় পরীক্ষা কমিটির সভা রয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট হবে পরীক্ষার তারিখ।
ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল হক কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি নামক এক গ্রুপে লিখেন, অনার্সের শিক্ষার্থী যাদের মাস্টার্সের সময় পার হয়ে যাচ্ছে তাদের জন্যও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন। ফার্মেসি ৫ বছরের কোর্স হওয়া এবং সেশনজটের কারণে ভার্সিটির ৮ম ব্যাচও এখন পর্যন্ত মাস্টার্সের চূড়ান্ত সেমিস্টার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি, ৯ম ব্যাচের অনার্সই শেষ হয়নি। এটা কি কুবি প্রশাসন এর চোখ দেখে না। তার ওপর গত ডিসেম্বরেও সিনিয়রদের অগ্রাধিকার দিয়ে ফার্মেসি বিভাগ ব্যতিত সব বিভাগে পুরোদমে পরীক্ষা হয়েছে। আবার গত ঈদেও নানা ফর্মালিটি দেখিয়ে ফার্মেসি বিভাগের দেরি করে রুটিন হওয়ায় কোনো ব্যাচই পরীক্ষা শেষ ও শুরু করতে পারেনি।
ফাহমিদা করিম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, বাকিদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে কতদিন লাগবে? জানুয়ারিতে যারা অনার্স ফাইনাল দিল তারা এখন মাস্টার্স দিবে। এদিকে বাকিরা দুই বছর ধরে এক সেমিস্টারে পড়ে আছে।
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মোশারফ হোসেন বলেন, জানুয়ারিতে যারা অনার্স ফাইনাল দিসে! তারা এখন আবার মাস্টার্স ফাইনাল দিবে! তাহলে সিনিয়রদের সঙ্গে জুনিয়রদের সেমিস্টার ফারাক হচ্ছে ৩-৪টি। একটা বিভাগ ২টা ব্যাচের পরীক্ষা শুরু করার অনুমতি দেয়া হোক। এভাবে পর্যায়ক্রমে জুনিয়রের দিকে যাবে।
উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের প্রভাবে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। পরে গেল বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেয়া শুরু করে। পুনরায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি চলমান সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। গত ৩ জুন একাডেমিক কাউন্সিল সভার সিদ্ধান্তে পুনরায় ১৩ জুন থেকে স্শরীরে পরীক্ষা শুরু হলেও ২৫ জুন স্থগিত করা হয়।সুত্র ডেইলি বিডি
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
