যে খবর শুনে এক সঙ্গে কেঁদেছিলেন মেসি ও তার স্ত্রী

নিউজ ডেস্ক।।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসি। সম্প্রতি স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ছেড়ে ফ্রান্সের প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)-তে যোগ দিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তিসহ অন্যান্য সব আনুষ্ঠাকিতা শেষ হয়েছে মেসির। পিএসজি অন্যান্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে ইতোমধ্যে অনুশীলনও করেছেন এই ফুটবল জাদুকর।

পিএসজিতে যোগ দিয়ে প্রথম সংবাদ সম্মেলনও করেছেন মেসি। হাসামাখা মুখে বিভিন্ন দেশের সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে কৌতূহল মেটানোর চেষ্টা করেছেন মেসি। বিবিসির হয়ে মেসির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন গিয়েম বালাগ। সেখানেই মেসি বলেছেন বার্সা ছাড়ার সময়কার অনুভূতির কথা।

মেসির হাসিমাখা মুখ দেখে এখন হয়তো বোঝাও যাবে না, কতটা কষ্ট নিয়ে বার্সেলোনা ছেড়েছেন ক্লাবটির সর্বকালের সেরা এই খেলোয়াড়।

যদিও এক বছর আগেই রাগ করে ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলেন মেসি। কিন্তু ক্লাবের বোর্ডে পরিবর্তন আসার পর সে সিদ্ধান্ত থেকে শুধু সরেই আসেননি, নিজের বেতন অর্ধেকে নামিয়ে আনতেও রাজি হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কিছুই কাজে আসেনি।

বার্সেলোনার আর্থিক অবস্থা এতটাই বাজে হয়ে গিয়েছিল যে তাকে নিয়ম না ভেঙে ধরে রাখতে পারেনি কাতালান ক্লাবটি। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যে ক্লাবের হয়ে আর খেলতে পারবেন না সেটা জানিয়ে দেওয়া হয় তাকে। সে খবর শুনে স্ত্রী আন্তোনেলাকে নিয়ে এক সঙ্গে কেঁদেছিলেন বিশ্বসেরা ফুটবল তারকা মেসি।
বার্সেলোনা যে চাইলেও তাকে রাখতে পারছে না, সেটা জানা গিয়েছিল গত রবিবার। মেসি সে দুঃসংবাদ জেনেছিলেন তার আগের দিন।

এ সম্পর্কে মেসি বলেছেন, “আমার বাবা ঘরে এসে সে খবর জানাল। বার্সেলোনা সভাপতি হোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন এবং যখন ঘরে ফিরলেন, আমাকে খবরটা জানালেন। আন্তোনেলা ও বাচ্চাদের এই দুঃসংবাদ দেওয়ার আগে আমাকে প্রস্তুত হওয়ার জন্য সময় দিয়েছিলেন বাবা। ”

তিনি বলেন, “এরপর আমি আন্তোনেলাকে সে খবর দিলাম এবং দু’জনই কাঁদলাম। দুজনেরই খুব মন খারাপ হল। তারপর দু’জন ভাবলাম কীভাবে বাচ্চাদের এ খবর দেওয়া যায়। কারণ, গত ডিসেম্বরেই আমরা বলেছি, আমরা এখানেই থাকব। আমরা জানতাম, এ খবরে থিয়াগো (বড় ছেলে) কত বড় ধাক্কা খাবে। ”


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.