নিউজ ডেস্ক।।
দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০ ভাগ শিক্ষকের করোনার টিকা নেয়া হয়েছে। যাদের ৪০ বছরের নিচে বয়স তারাও বিশেষ প্রক্রিয়ায় টিকা নিচ্ছেন। এ বিষয়ে জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন অফিস শিক্ষকদের সহায়তা করছে বলে জেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা জানান।
শিক্ষক-কর্মকর্তারা অনস্পট ভ্যাক্সিন পাচ্ছে বলা যায়। চলতি সপ্তাহে সেটা আরও এগিয়ে যাবে বলেও জানান শিক্ষা কর্মকর্তারা।
তবে সব জেলায় এমন সুবিধা পাচ্ছেন না শিক্ষকরা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামছুদ্দিন বলেন, এখনো সুরক্ষা অ্যাপ থেকে টিকা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষকরা স্বাস্থ্যকর্মী পরিচয় দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করছে। হইতো আমাদের তালিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে এর নিষ্পত্তি হতে পারে। আর অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষকদের বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর থেকে আসেনি।
তবে জানা যায়, করোনা টিকা নেয়ার ব্যাপারে অনেক শিক্ষক আগ্রহ প্রকাশ করছেন না। অনেকে আবার ভয় পাচ্ছেন। অনেকের শারীরিক সমস্যাও আছে। তবে টিকা না নিলেও শিক্ষকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও ক্লাস নিতে পারবেন। এবিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কোন বাধ্যবাধকতা নেই বলে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষকরা বলেন, করোনা টিকা নেয়ার বিষয়ে, অন্তত রেজিস্ট্রেশন করার বিষয়ে একপ্রকার বাধ্য করা হচ্ছে। টিকা না নিলেও ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। কারণ এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা আছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবুল কাশেম বলেন, করোনা টিকার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা আছে। মন্ত্রণালয় থেকে অধিদপ্তর, অধিদপ্তর থেকে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের করোনা টিকা নেয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে আদেশ দেয়া হয়েছে। অনেক উপজেলাই মঙ্গলবার এ চিঠি পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
টিকা নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বাধ্যবাধকতা বিষয়টি এমন নয় যে কাউকে ধরে এনে টিকা দেয়া হবে। যেহেতু সরকারি নির্দেশনা আছে তাই সবাইকে নিতে হবে এবং টিকা নিয়েই শিক্ষকদের ক্লাসে আসতে হবে।
যেসব শিক্ষিকা অন্তঃসত্ত্বা তাদের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা তো এমনিতেই টিকা নিতে পারবেন না। যখন টিকা নেয়ার উপযোগী হবে তখন তাদেরকেও কোভিড টিকা দেয়া হবে। এছাড়া যাদের শারীরিক সমস্যা আছে তাদের বিষয়টি ভিন্ন বলে জানান তিনি।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
