এইমাত্র পাওয়া

মঙ্গলে পারসিভারেন্স

অনলাইন ডেস্ক ||

বৃহস্পতিবার মাঝরাতে মঙ্গলে পা রাখল নাসার অত্যাধুনিক মহাকাশযান ল্যান্ডার রোভার পারসিভারেন্স। একই সঙ্গে তৈরি হলো ইতিহাস। এই প্রথম মঙ্গলে উড়ল অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি। ল্যান্ডারের পেটে বাঁধা এই হেলিকপ্টার মঙ্গলের আকাশে ঘুরবে। সংগ্রহ করবে ছবি।

মঙ্গলে নাসার এটি তৃতীয় সফল অবতরণ। আগামী দশ দিন ধরে লালগ্রহে তন্ন তন্ন ঘুরবে এই মহাকাশযান। সেখান থেকে পাথর, মাটি সংগ্রহ করে পৃথিবীতে নিয়ে আসার কথা মহাকাশযানটির। সে সব পরীক্ষা করে মঙ্গলে প্রাণের সন্ধান করবেন বিজ্ঞানীরা। এছাড়াও মঙ্গলের ছবি সংগ্রহ করবে মহাকাশযানটি। আর মঙ্গলের আকাশে এই প্রথম উড়ল মানুষের তৈরি হেলিকপ্টার। উপর থেকে মঙ্গলের খুঁটিনাটি ছবি নেবে ইনজেনুইটি।

নাসা জানিয়েছে, প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার বেগে মঙ্গলের কক্ষপথে ঢুকে পড়ে রোভার পারসিভারেন্স। এরপর একটি বিশাল প্যারাশুটের সাহায্যে তার গতিবেগ কমিয়ে তিন কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় নামিয়ে আনা হয়। মঙ্গলের মাটি ছোঁয়ার সময় ব্যবহার করা হয় এক অতিকায় ক্রেন। তার সাহায্যেই রোভারের মাটি ছোঁয় রোভারের চাকা। যে প্যারাশুটের সাহায্যে রোভারের গতিবেগ কমানো হয়েছে, তাও ঐতিহাসিক। এর আগে এত বড় প্যারাশুট মহাকাশে ব্যবহার করা হয়নি।

মঙ্গলের উত্তরে জেজেরো ক্রেটারে অবতরণ করেছে রোভার পারসিভারেন্স। আমেরিকার কিউরিওসিটি এই অঞ্চলের ছবি আগেই পাঠিয়েছে নাসাকে। তবে রোভার এই অঞ্চলে আরো অনেক বেশি কাজ করবে। এই মুহূর্তে রোভারের থেকে কিউরিওসিটির দূরত্ব প্রায় তিন হাজার ৭০০ কিলোমিটার। গেল ক্রেটারে অবস্থান করছে মার্কিন মহাকাশযানটি।

নাসা জানিয়েছে, শুধু ভূপৃষ্ঠের উপরে নয়, ভূপৃষ্ঠের তলার উপাদানও সংগ্রহ করবে পারসিভারেন্স। এই যানটির মূল কাজ হবে মঙ্গলে পানির সন্ধান করা এবং প্রাণের খোঁজ চালানো। সূত্র: রয়টার্স, এপি


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.