অনলাইন ডেস্ক ||
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মঞ্জুরুল কবীর বলেন,আজ বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত ১১টি বোর্ডে ১৪ হাজার ৬৯২ জন পরীক্ষার্থী ফল পর্যালোচনার জন্য আবেদন করেছেন। যেহেতু এবার পরীক্ষা হয়নি, তাই উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের কোনো সুযোগ নেই। আবেদন করা পরীক্ষার্থীদের ফল তৈরিতে কোনো ভুলত্রুটি ছিল কি না, সেটি পর্যালোচনা করে দেখা হবে। যদি কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে, সেটি সংশোধন করা হবে। না হলে আগের ফলই থাকবে।
তবে এর মধ্যেই বরিশাল বোর্ড নিজ থেকেই অন্তত দুজন পরীক্ষার্থীর ফল সংশোধন করেছে। তাঁদের একজন সুমী খানম। তিনি জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেলেও এইচএসসিতে প্রথম ঘোষিত ফলে পান জিপিএ-৪ দশমিক ৭৫। তিনি এসএসসিতে বিজ্ঞান শাখায় থাকলেও এইচএসসিতে গিয়ে শাখা পরিবর্তন করে মানবিক শাখা নেন। ৩০ জানুয়ারি ফল প্রকাশের পর দেখতে পান, বিষয় ম্যাপিংয়ের যে নীতিমালার কথা বলা হয়েছে, তাঁর ফল সে অনুযায়ী হয়নি। কারণ, বিভাগ (গ্রুপ) পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জেএসসি বা সমমান পরীক্ষার গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের প্রাপ্ত গড় নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বিভাগভিত্তিক তিনটি বিষয়ের ৭৫ শতাংশ নম্বর বিবেচনা করে এইচএসসির মানবিক ও অন্যান্য বিভাগের তিনটি বিষয়ের নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু ফল তৈরিতে শাখা পরিবর্তনের পদ্ধতি অনুসরণ না করে বিজ্ঞান শাখার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। অর্থাৎ জেএসসির গণিত ও বিজ্ঞানের প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিষয়ের পরিবর্তে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করার কথা।
বিষয়টি সুমীর এক স্বজন বোর্ড কর্তৃপক্ষসহ গণমাধ্যমকেও অবহিত করেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে বরিশাল বোর্ড কর্তৃপক্ষ ৩ ফেব্রুয়ারি তাঁর ফল সংশোধন করে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জানালেন, ইতিমধ্যে দুজনের ফল সংশোধন করা হয়েছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
