নিউজ ডেস্ক।।
বাংলাদেশে প্রথম যখন অনলাইনে পণ্য বেচাকেনার সুযোগ তৈরি হয়, তখন অনেকে এটিকে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি ভেবে বেশ পুলকিত হয়েছিল। এই অনেকের অধিকাংশই যে বেকার বা আর্থিকভাবে অস্বাবলম্বী, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কোনো রকম খরচ ছাড়াই পণ্য কেনাবেচায় তাদেরকে বেশি আগ্রহী করে তুলেছিল। বাড়তি আয়ের এই সুযোগ লুফে নিতে তারা দেরি করেনি।
অন্যদিকে ঘরে বসে পছন্দসই জিনিসপত্র কেনার সুযোগ পেয়ে ক্রেতারাও খুশি—তাদের যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না কোনো মল বা বাজারে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে কেন্দ্র করে তৈরি হতে থাকে কর্মসংস্থানের সুযোগ। এদিকে বৃদ্ধি পাওয়া অনলাইন মার্কেটিংয়ের সুনামের সুযোগ নেয় এক শ্রেণির প্রতারকচক্র। অনলাইন মার্কেটিংয়ে বিছাতে থাকে তারা প্রতারণার জাল। তাদের এই ফাঁদে পড়ে প্রতারিত হতে থাকে হাজারো মানুষ।
আবার তাদের এই প্রতারণায় রয়েছে নানান অভিনব পদ্ধতি! কখনো ক্রেতাকে এক ধরনের পণ্য দেখিয়ে অন্য ধরনের পণ্য কিংবা আসল পণ্যের মোড়কে নকল পণ্য সরবরাহ, কখনোবা পরিমাণে কম দেওয়া, আবার কখনো আগাম অর্থ নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়া তাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা কোনো নির্দিষ্ট পন্থা অবলম্বন করেই কিন্তু থেমে থাকে না। বরং প্রতারণার কৌশল করতে থাকে পরিবর্তন। ফলস্বরূপ, আস্থার জায়গা হারিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ছে অনলাইন মার্কেটিং।
প্রতারকচক্রের কারণেই অবমূল্যায়িত হচ্ছে প্রকৃত উদ্যোক্তারা। এভাবে ই-কমার্স জগতে সদ্য তৈরি হওয়া অবস্থান হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে অসংখ্য তরুণ। পরিশেষে, অনলাইন মার্কেটিং তথা ই-কমার্সের জগেক নিরাপদ রাখতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগী হতে হবে, সাইবার জগতে বাড়াতে হবে নজরদারি।
লেখক-
শিক্ষার্থী, নৃবিজ্ঞান বিভাগ,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
