নিজস্ব প্রতিবেদক।।
শিক্ষার্থীদের শিখনফল মূল্যায়নের অ্যাসাইনমেন্ট নেওয়ার জন্য কোনো ফি আদায় করা যাবে না বলে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সাবধান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে মাউশি।
গতকাল রবিবার আমাদের সময়ের সঙ্গে আলাপকালে মাউশি পরিচালক (মাধ্যমিক) মো. বেলাল বলেন, শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া ও জমা নেওয়ার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের ফি নিতে পারবে না। ফি আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠানের নানাবিধ প্রচলিত খাত আছে।
করোনা সংক্রমণের মধ্যে এমনিতে অভিভাবকরা দিশাহারা। আর্থিক সংকটে অনেক অভিভাবক নিয়মিত টিউশন ফি পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছেন। এর মধ্যে যদি অ্যাসাইনমেন্টের নামে ফি আদায় করে প্রতিষ্ঠান, এটা অন্যায়। কোনোভাবেই এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই ছুটি আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট করানোর নির্দেশ দিয়েছে মাউশি। সে অনুযায়ী সপ্তাহে একদিন প্রতিষ্ঠান থেকে অ্যাসাইনমেন্ট টপিক সংগ্রহ ও জমা দেবে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এটিকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে বাড়তি অর্থ আদায় করছে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আবার স্কুলে যেতেও বাধ্য করা হচ্ছে কোথাও কোথাও।
জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর মাধ্যমিক স্তরের (ষষ্ঠ-নবম শ্রেণি) বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণ না করেই সব শিক্ষার্থীকে ওপরের শ্রেণিতে তোলা হবে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ঘাটতি পূরণের জন্য ৩০ কর্মদিবসে শেষ করা যায় এমন একটি সিলেবাস প্রণয়ন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্য পুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এর আলোকে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের অ্যাসইনমেন্ট।
শিক্ষাবার্তা/এসজেড
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
