নিউজ ডেস্ক।।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আগে স্কুলগুলোয় আড়াই মাসের মতো ক্লাস হয়েছে। এর পর থেকে সংসদ টেলিভিশন ও অনলাইনে পাঠদান সম্প্রচার করা হচ্ছে। এই পড়ালেখার ভিত্তিতে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে। ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে শিক্ষা প্রশাসনের। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন বিষয়ে গাইডলাইন তৈরি করবে পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বেডু)। ষষ্ঠ ও সপ্তমের বিষয়ে গাইডলাইন করবে এনসিটিবি।
শিক্ষা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার ক্ষতি হলেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের যে হার, তাতে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি ধরে একের পর এক প্রস্তুতিমূলক পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। যাতে স্কুল খুললে তা বাস্তবায়ন করে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায়।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, প্রতিদিন এমন সংক্রমণের মধ্যে ডিসেম্বরের আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আদৌ খোলা যায় কিনা সেটা নিয়েই চিন্তা। মাসের পর মাস পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু সংক্রমণ পরিস্থিতির কাক্সিক্ষত উন্নতি হচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো সিদ্ধান্ত সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে আসতে হবে। যা কিছু আমরা পরিকল্পনা করছি সবই প্রস্তুতিমূলক, কোনোটা চূড়ান্ত নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্টেক হোল্ডার হিসেবে আমরা সুপারিশ করতে পারি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।
করোনার কারণে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কওমি মাদ্রাসাগুলো ২৪ আগস্ট থেকে খুলে দেওয়া হলেও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
