মোহাম্মদ ইয়ামিন খান :
১৫ আগস্ট। বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে ঘৃণিত ও বেদনাবিধুর দিন; জাতীয় শোক দিবস। আজ থেকে প্রায় ৪৫ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৭৫ সালের এই দিনে কিছু বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে বাঙালি জাতির পিতা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন।
বিপথগামী সেনাসদস্যরা শুধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেনি; একইসঙ্গে শিশু শেখ রাসেলসহ পরিবারের সব সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
দেশের বাইরে থাকায় ওই সময় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধু কন্যা আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা। পৃথিবীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী অনেক রাজনৈতিক নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে; যেমন- আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক আব্রাহাম লিঙ্কন, প্রেসিডেন্ট কেনেডি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী প্রমুখ। কিন্তু একসঙ্গে সপরিবারে হত্যা কোনো দেশেই হয়নি।
বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর জাতির জীবনে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, রাজনৈতিক আস্থাহীনতা তৈরি হয়। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তাই এ কলঙ্ক মোচনে বঙ্গবন্ধুর বেশ কয়েকজন হত্যাকারীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বিচারের পর আদালত তাদের ফাঁসিও দিয়েছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাশেদ চৌধুরী ও কানাডায় নূর চৌধুরীসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেসব হত্যাকারী এখনও পালিয়ে আছে; তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার সম্পন্ন করা হোক। নইলে জাতির যে কলঙ্ক, তা কখনও মোচন হবে না। অপরাধীদের দেশে এনে বিচার করে জাতির কলঙ্ক মোচন করা হোক।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
