৩৩ ভাগ নারী নেতৃত্বের বিধান বহাল রাখার দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি।।

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সব কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রাখার বিধান থেকে নির্বাচন কমিশনের সরে আসার সংশোধিত আরপিও’র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ নারী মুক্তি সংসদ আয়োজিত সমাবেশের বক্তারা।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য কামরুল আহসান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ও ঢাকা মহানগরের সভাপতি আবুল হোসাইন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমিন, বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রাজু, জাতীয় কৃষক সমিতির প্রচার সম্পাদক মোস্তফা আলমগীর রতন প্রমুখ।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেত্রী শাহানা ফেরদৌসী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিউলি শিকদার।

বক্তারা বলেন, গোটা বিশ্বসহ বাংলাদেশ যখন করোনা মহামারিতে আক্রান্ত তখন নির্বাচন কমিশনের আরপিও সংশোধনী দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা সুদূঢ় করা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার যে পাঁয়তারা করছে তা জনগণ প্রতিহত করবে।

তারা আরও বলেন, শুধু রাজনৈতিক দলের কাঠামোতে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা নারীর ক্ষমতায়নে যথেষ্ট নয়, জাতীয় সংসদসহ সকল নির্বাচনে ৩৩ শতাংশ নারী আসন নিশ্চিতকরণসহ সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে নারীর সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। এ কাজে নির্বাচন কমিশনের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সে কাজে কোন ভূমিকাই পালন করছে না।

নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা মহামারির সময়ে সারা দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নারী হলেও দেশ পরিচালিত হচ্ছে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে। যে কারণে নারীরা সহিংসতার শিকার হলেও তারা ন্যায়বিচার পায় না। পুরুষতন্ত্র ও পুঁজিতন্ত্র—এই দুই মিলে নারীকে পিষ্ট করছে। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে নারীকে সচেতন ও স্বোচ্চার হতে হবে। একই সাথে এই সংগ্রামে পুরুষকেও এগিয়ে আসতে হবে।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.