এইমাত্র পাওয়া

মাধ্যমিক শিক্ষার ধারাবাহিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি প্রস্তাব

কটি দেশের সার্বিক সমৃদ্ধির জন্য শিক্ষার গুরুত্ব সর্বাধিক। শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতির সাথে দেশের উন্নয়ন কাঠামো অত্যন্ত নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। গত এক দশকের বিশ্লেষণে দেখা যায় বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে অভূতপূর্ব দৃশ্যমান উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় সাফল্যের প্রবাহমান ধারা (ধারাবাহিক অগ্রগতি) অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। শিক্ষার এই সাফল্যের সাথে রাষ্ট্রের সার্বিক সমৃদ্ধি বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার প্রেক্ষিতে দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত মানব সম্পদ উন্নয়নের একটি যোগসূত্রতা রয়েছে।

শিক্ষা যেহেতু মানুষের জীবনে একটি অত্যাবশ্যকীয় মৌলিক অনুষঙ্গ (Absolutely Necessary Basic Component), সুতরাং শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্র সর্বদা নানামূখী কল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। বাংলাদেশের মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে এডিবির কারিগরী ও আর্থিক সহায়তায় Secondary Education Sector Investment Program (SESIP) তেমনই অত্যন্ত কার্যকরী একটি উদ্যোগ। মাধ্যমিক শিক্ষায় দৃশ্যমান সাফল্যের অন্তরালে এই প্রোগ্রামের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবদান অনস্বীকার্য।

১৯৯৯ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রজেক্ট প্যাটার্ন-এ সেকেন্ডারী এডুকেশন সেক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের (সেসিপ) যাত্রা শুরু হয়, যদিও এর পূর্বে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্লান (ঝঊউচ) নামে এর পথচলা শুরু হয় ১৯৯৮ সাল থেকেই। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে প্রজেক্টের নাম পরিবর্তন করে সেকেন্ডারী এডুকেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এসইএসডিপি) নামে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য নতুনভাবে কর্মকান্ড শুরু করে।

এসইএসডিপি-এর মেয়াদ সমাপ্ত হলে সর্বশেষ ২০১৩ সালে পুনরায় সেকেন্ডারী এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ) (SEDP) -এ নতুনভাবে দেশব্যাপী আরও বিস্তৃতভাবে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর (SEDP) কর্মকান্ড শুরু করে যা বর্তমান সময় পর্যন্ত চলমান রয়েছে। গত ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সেসিপ প্রোগ্রামের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে ডিপিপি অনুসারে কিছু কাজ অসমাপ্ত রয়েছে এই মর্মে Implementation Monitoring and Evaluation Division (IMED) দুই দফায় ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এর মেয়াদ বৃদ্ধি করে। তবে শর্ত হলো পরবর্তীতে কোনভাবেই এই প্রোগ্রামের মেয়াদ বৃদ্ধি করা যাবে না।

মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সেসিপ প্রোগ্রাম কর্তৃক সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য কর্মকান্ডের মধ্যে রয়েছে-

(১) প্রতিটি আঞ্চলিক পরিচালকের অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ প্রদান

(২) আন্ডারসার্ভড এরিয়ায় বিদ্যালয় স্থাপন

(৩) মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়নে মডেল মাদ্রাসা স্থাপন

(৪) ইএমআইএস  সফ্টওয়্যার ডেভেলপ করা

(৫) অনলাইন এমপিও বিকেন্দ্রীকরণের ব্যবস্থাকরণ

(৬) নায়েম, এনসিটিবি, বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট  -এ সার্বিক সহযোগিতাকরণ

(৭) ১৭টি জেলায় ৫৪টি উপজেলার শিক্ষার্থীদের মাঝে (মেয়ে ৩০% ও ছেলে ২০%) উপবৃত্তি প্রদান

(৮) হাতে-কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য মাধ্যমিক স্তরের ৯,৯২৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটিতে ব্যবহারের জন্য বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামাদী সরবরাহ

(৯) ঢাকা মহানগরসহ অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ২৫টি থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের পদ সৃষ্টি

(১০) দেশব্যাপী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসমূহে ১০০০ রিসোর্স টিচার  নিয়োগ দেয়া

(১১) দেশব্যাপী ৬৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ICT Learning Centre  স্থাপন

(১২) সমগ্র বাংলাদেশে ৬৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি প্রি-ভোকেশনাল ও ভোকেশনাল (১০টি ট্রেড) কোর্স চালুকরণ

(১৩) মাধ্যমিক স্তরের ১০,০০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা উপকরণ   সরবরাহ

(১৪) সেসিপ প্রোগ্রামের সকল কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকগণের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ যেমন-সৃশনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক), পিবিএম বিষয়ক প্রশিক্ষণ, এসবিএ সংক্রান্ত প্রশিক্ষন, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ, মনিটরিং এবং মেন্টরিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম বিস্তরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ, হাতে-কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা বিয়ষক প্রশিক্ষণ, ই-লার্নিং মডিউল শ্রেণীকক্ষে ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি   সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ  বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ, প্রকিউরমেন্ট গাইডলাইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ, আইএমএস মডিউলে ডাটা এন্ট্রি ও আপডেট বিষয়ক প্রশিক্ষণ, জীবন দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, রিসার্চ মেথোডলজি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ধারাবাহিক মূল্যায়ন   বিষয়ক প্রশিক্ষণ, পেশাগত উন্নয়ন সংক্রান্ত মৌলিক প্রশিক্ষন, সফ্টওয়্যার এন্ড হার্ডওয়্যার   সংক্রান্ত প্রশিক্ষন সম্পন্নকরণ

(১৫) জেলা শিক্ষা অফিসসমূহ হরাইজন্টাল/ভার্টিকাল এক্রটেনশনকরণ

(১৬) সকল আঞ্চলিক পরিচালকের অফিস, উপ-পরিচালকের অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনের জন্য ল্যাপটপ/ডেস্কটপ, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার, স্ক্যানার, এয়ারকুলার প্রদান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুপারভিশনের জন্য যানবাহন প্রদান

(১৭) কর্মকর্তা-শিক্ষকবৃন্দের জন্য ইউরোপ আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শিক্ষাসফরের ব্যবস্থাকরণ।

সেসিপ প্রোগ্রামের উপরোক্ত প্রতিটি কর্মযজ্ঞের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা, সহকারী মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার, সহকারী পরিদর্শক, সহকারী প্রোগ্রামার, জেলা শিক্ষা অফিসের গবেষণা কর্মকর্তা, সহকারী পরিদর্শক, সহকারী প্রোগ্রামার, ডিস্ট্রিক্ট ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে রয়েছে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, থানা একাডেমিক সুপারভাইজার, সহকারী থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ইত্যাদি। উল্লেখিত কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেকের চাকুরীর অভিজ্ঞতা ১৭ বছর, অনেকের ১০ বছর আবার অনেকের ৫ বছর হতে চলেছে।

সেসিপের এই সকল কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতায় বাংলাদেশের মাধ্যমিক শিক্ষায় দৃশ্যমান অগ্রগতিসমূহের মধ্যে রয়েছে-

(১) সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় বিশেষ করে জেএসসি এবং এসএসসিতে কাংঙ্খিত ফলাফলের উর্ধ্বমূখী প্রবাহ পরিলক্ষিত হচ্ছে

(২) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিদর্শন/মনিটরিং/সুপারভিশনের একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরী হয়েছে

(৩) মাধ্যমিক শিক্ষায় কেন্দ্র থেকে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত একটি জবাবদিহিতামূলক শিক্ষা প্রশাসন তৈরী হয়েছে

( ৪) মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য একটি বিস্তৃত ও আধুনিক ঋৎধসবড়িৎশ তৈরী হয়েছে

(৫) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষা সংক্রান্ত যে কোন কনসেপ্ট সম্পর্কিত তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক প্রদানে আন্তরিকভাবে সহযোগিতার মনোভাবাপন্ন একটি জনবল কাঠামো তৈরী হয়েছে

(৬) মাধ্যমিক শিক্ষার মাঠ পর্যায়ে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তিজ্ঞানসমৃদ্ধ ইতিবাচক দৃস্টিভঙ্গিসম্পন্ন অপেক্ষাকৃত তরুণ, উদ্যমী, প্রতিক্রিয়াশীল একাডেমিক সুপারভিশন কর্মকর্তা পদের সৃষ্টি হয়েছে

(৭) সর্বোপরি সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাগনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাধ্যমিক শিক্ষা ক্রমাগতভাবে সংখ্যাগত/পরিমাণগত ট্রেন্ডের পাশাপাািশ প্রত্যাশিত গুণগতমানের   দিকে ধাবিত হচ্ছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে।

মাধ্যমিক শিক্ষার উপরোক্ত অর্জনসমূহের বিবেচনায় সেসিপ প্রোগ্রামে কর্মরত সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকুরী রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা জরুরী হয়ে পড়েছে। অত্যন্ত মহান পেশা হিসেবে শিক্ষাক্ষেত্রকে বেছে নিয়ে সেসিপ প্রোগ্রামে কর্মরত সকল পর্যায়ের কর্মকর্তারা দেশের সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক এবং কার্যকরী ভূমিকা পালন করে আসছে। উল্লেখ্য, রেভিন্যিউ বাজেটের আওতায় জেলা পর্যায়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের (যদিও অধিকাংশ উপজেলায় পদটি শুন্য রয়েছে) পদ রয়েছে।

কোন কোন জেলায় ৭০০ থেকে ১০০০ এর উপরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং কোন কোন উপজেলায় ৫০-২০০ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের পক্ষে এককভাবে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা সম্ভবপর হয়ে উঠেনা।

যদিও পরিদর্শন করা হয় তবে বিষয়টি অত্যন্ত কস্টসাধ্য ও সময়স্বাপেক্ষ। সেসিপের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা দেশের যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশক্রমে (ট্যাগ অফিসার হিসেবে) বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কাজ যেমন বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, আইন-শৃংঙ্খলা অবনতি, সামাজিক অবক্ষয় রোধ, জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ ইত্যাদি অত্যন্ত আন্তরিকভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও দশের স্বার্থে করে থাকে।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মাঝেও সেসিপের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যেও করোনা প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করা, বাজার মনিটরিং, বাড়ি বাড়ি গিয়ে অসহায় মানুষদের মাঝে সরকারের অনুদান পৌঁছে দেয়াসহ সকল ধরণের কাজ করে থাকে।

একটি দীর্ঘসময় মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে চাকুরীর অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে এবং প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানের প্রভাবে ইতিমধ্যে সেসিপ প্রোগ্রামের কর্মকর্তাদের মাঝে Environment and Social Safeguard Compliance and Management ইত্যাদি বিষয়গুলো অত্যন্ত সুগভীরভাবে গ্রোথিত হয়েছে। এই প্রোগ্রামের বেশিরভাগ কর্মকর্তা দেশের প্রথিতযশা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রীধারী। অধিকন্তু, প্রায় সকল কর্মকর্তার শিক্ষা সংক্রান্ত পেশার জন্য অত্যাবশ্যকীয় বি.এড ও এম.এড ডিগ্রী রয়েছে।

সেসিপে কর্মরত বেশিরভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্যান্য সরকারি চাকুরী প্রাপ্তির বয়স ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ   অর্জনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মাধ্যমিক শিক্ষাকে অধিকতর শক্তিশালীকরণের   স্বার্থে মানবিক বিবেচনায় সেসিপ প্রোগ্রামের সকল পর্যায়ের দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকুরী দ্রুততর সময়ের মধ্যে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের কাছে আমাদের সকলের প্রাণের আকুতি।

লেখক

গাজী মোঃ আব্দুর রসিদ
গবেষণা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা অফিস (মাধ্যমিক), মুন্সীগঞ্জ।


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.