নিউজ ডেস্ক।।
নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সুবিধা আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মহানগর হাসপাতাল,আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতাল, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, রিজেন্ট হাসপাতাল ও সাজেদা ফাউন্ডেশেনে।
এর মধ্যে কোনো কোনোটিতে আবার ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা নেই। আসন থাকা সাপেক্ষে এই হাসপাতালগুলোয় রোগী ভর্তি করা হচ্ছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৯১০, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শয্যা সংখ্যা ৪৮, ডয়ালাইসিস মেশিন ৩০ টি।ঢাকা মেডিকেল কলেজ-২ (নতুন ভবন) বা বার্ন ইউনিটের নিচের জরুরি বিভাগে রোগীকে নিয়ে যেতে হবে।
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ৫০০ শয্যার, আইসিইউ শয্যা ২৭, ডায়ালাইসিস মেশিন আছে ৩২টি।
বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ২৫০, আইসিইউ শয্যা ২৬টি ও পাঁচটি ডায়ালাইসিস মেশিন।
মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৫০০, আইসিইউ শয্যা ১০ টি, ডায়ালাইসিস মেশিন ৩২ টি।
মহানগর জেনারেল হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ১৫০, আইসিইউ শয্যা ৫, ডায়ালাইসিস সুবিধা নেই।
হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৪০০, আইসিইউ শয্যা ১০টি, ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা আছে।
রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ৫০ টি করে শয্যা আছে, প্রতিটিতে তিনটি করে আইসিইউ শয্যা আছে। তবে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা নেই।
মিরপুর লালকুঠি হাসপাতালে ২০০ শয্যা ও পাঁচটি আইসিইউ শয্যা আছে। এখানে রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে। আইসিইউ শিগগির চালু হবে।
নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশনে ৫০ টি শয্যা আছে, আইসিইউ শয্যা আছে পাঁচটি। ডায়ালাইসিস মেশিন আছে ১টি । উপজেলা প্রশাসন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। কোনো রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হলে প্রশাসন অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে কিংবা সাজেদা ফাউন্ডেশন নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে আসে।
মাঝারি উপসর্গের জন্য রেলওয়ে হাসপাতাল
যাঁদের শুধুমাত্র অক্সিজেন সিলিন্ডার হলেই চলবে, তাঁদের জন্য ৪০ শয্যার রেলওয়ে হাসপাতাল আছে। এখানে আইসিইউ বা ডায়ালাইসিস সেবার ব্যবস্থা নেই।
প্রস্তুত থেকেও রোগী ভর্তি করছে না গ্যাস্ট্রোলিভার
মহাখালিতে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ২৫০, আইসিইউ শয্যা ১৪, ডায়ালাইসিস মেশিন দুটি। জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো রোগী ভর্তি শুরু হয়নি।
বসুন্ধরা কোভিড হাসপাতাল চালু হচ্ছে
বসুন্ধরা কোভিড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা দুই হাজার। তবে এই হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র বা ডায়ালাইসিস সেবার ব্যবস্থা নেই।হাসপাতালের পরিচালক তানভীর পলাশ প্রথম আলোকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এখন হাসপাতালটিতে দুই শতাধিক র্যাব সদস্য চিকিৎসা নিচ্ছেন। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এ সপ্তাহে অন্যদের ভর্তি করতে পারবেন।
শিগগির যুক্ত হতে পারে আরও দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
ইস্ট-ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সরকারের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করছে। এ দুটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিগগিরই চিকিৎসা শুরু হতে পারে।
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
