ঢাকা: বাতিলকৃত এমপিও ফাইলসহ অবশিষ্ট সব এমপিও ফাইল দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধিভুক্ত শিক্ষকরা।
রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান তারা।
বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একই প্যানেল থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষকদের মধ্যে বেতন কাঠামো ও এমপিও প্রদানে চরম বৈষম্য বিদ্যমান। মাউশি অধিভুক্ত শিক্ষকরা সময়মতো এমপিও সুবিধা পেলেও কারিগরি শিক্ষকদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে এমপিওবঞ্চিত অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।”
“নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও অনেক শিক্ষকের এমপিও ফাইল ‘কাম্য শিক্ষার্থী সংখ্যা’, ‘কাম্য পরীক্ষার্থী সংখ্যা’ ও ‘কাম্য পাসের হার পূরণ না হওয়া’র অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে, যা নবীন শিক্ষকদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে। নিয়োগের সময় এসব শর্ত সম্পর্কে কোনো পূর্ব অবহিতকরণ না থাকায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক, বৈষম্যমূলক ও মানবিকতাবিরোধী।”
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, “করোনা পরবর্তী বাস্তবতায় শিক্ষার্থী সঙ্কট একটি জাতীয় সমস্যা হলেও শুধু কারিগরি শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এসব শর্ত কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। বর্তমানে প্রায় ১৪২টি এমপিও ফাইল বাতিল রয়েছে এবং আরও বহু ফাইল নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে।”
শিক্ষকরা অবিলম্বে সব শর্ত শিথিল করে বাতিলকৃত ১৪২টি ফাইলসহ আবেদন করা সব শিক্ষকের এমপিও দ্রুত কার্যকর করা এবং যোগদানের তারিখ থেকে বেতন দেওয়ার দাবি জানান।
তাদের আশা, “বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের অঙ্গীকার কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। অন্যথায় শিক্ষক সমাজ শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে, যার সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে।”
শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২৯/১২/২০২৫
Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
শিক্ষাবার্তা ডট কম অনলাইন নিউজ পোর্টাল
