পাঠ্যবই ছাপানোর মতো বিশাল কাজ করতে গেলে কিছু ত্রুটি থাকতে পারে

ঢাকাঃ গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, বই ছাপানোর মতো বিশাল কাজ করতে গেলে কিছু ত্রুটি থাকতে পারে। আমাদের পাঠ্যপুস্তকগুলো শিশুদের জন্য উপযোগী হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে এনসিটিবিকে মনোযোগ দিতে হবে।

আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এনসিটিবির অডিটোরিয়ামে পাঠ্যবইয়ের অনলাইন সংস্করণের উদ্বোধন উপলক্ষে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এনসিটিবির গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিক, মানে বইগুলো বাচ্চাদের উপযোগী হচ্ছে কিনা সেদিকে মনোযোগ দেবে। এতে পাঠ্যবই বাচ্চাদের জন্য উপযোগী হয়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভিন। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব রফিকুল ইসলাম। গণশিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা।

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেবার পর থেকেই পাঠ্যবইয়ের কাজটা কঠিন ছিল। লো কোয়ালিটি ও ভুলসম্পন্ন বই শিক্ষার্থীদের হাতে না দিতে আমরা কাজ করেছি। নির্ভুল পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে দিতে আমরা কাজ করেছি। অনেক রিপোর্ট পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, আবার অনেক রিপোর্ট ভালো হয়েছে। এতে আমরা প্রেসে গিয়ে পদক্ষেপ নিতে পেরেছি। তাছাড়া পত্রিকায় রিপোর্ট হওয়ার পর বইগুলোর ছাপার কাজগুলো করতে সমন্বয় করতে হয়েছে। না হলে ডিসেম্বরের ৭-৮ তারিখের মধ্যে বইয়ের কাজ শেষ করতে পারতাম।

তিনি আরও বলেন, ২২ জানুয়ারির মধ্যে বই দেয়ার কথা থাকলেও তাদের অনেকেই ইতোমধ্যে বই সরবরাহ করেছে। তাই তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমার ওপর অনেক চাপ ছিল, বিদেশি প্রতিষ্ঠানসহ অনেকের আমার ওপর চাপ ছিল। কিন্তু আমাদের দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যথাসময়ে বইয়ের কাজ শেষ করতে পেরেছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনসিটিবি, প্রকাশনা সংস্থার সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/২৮/১২/২০২৫


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.