এইমাত্র পাওয়া

এবার স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ঘেরাওয়ে ইউনানী শিক্ষার্থীরা

ঢাকাঃ মেডিকেল অফিসার (ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক) নিয়োগ যোগ্যতা সংক্রান্ত মতামতের চিঠি বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ঘেরাও করেছে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষার্থীরা।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে মহাখালীতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নেয় ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এ সময় স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত আন্দোলরত শিক্ষার্থীরা সেখানে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের আরও দুইটি দাবি হল- একটি পৃথক আইন প্রণয়ন এবং ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় স্বতন্ত্র কাউন্সিলর গঠন।

ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান বলেন, গত ৩০ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। তাতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের জন্য ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক বোর্ড থেকে শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করতে হবে।

“আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টির অন্তর্ভুক্ত। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত চিকিৎসক। আমাদের কেন আবার ডিপ্লোমা বোর্ড থেকে নিবন্ধন নিতে হবে? ডিপ্লোমা বোর্ড কখনোই বিএমএস বা বিইউএমএস ডিগ্রি দেওয়ার এখতিয়ার নাই।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যে চিঠি দিয়েছে তাতে ‘অযোগ্য এবং ভুয়া চিকিৎসক অনুপ্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে’। তারা এর বিরোধিতা করছেন এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। এ কারণে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ঘেরাও করেছেন।

“আমরা এই অনুপ্রবেশ এবং দেশের মানুষকে ভুল চিকিৎসার হাত থেকে বাঁচাতে আন্দোলন করে আসছি। আমরা বিভিন্ন সময় প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেছি। কিন্তু প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ এই ইস্যুটিকে আমলে নেননি, কোনো আলোচনায় আসেননি।

“এ কারণে আমরা ঘেরাও করতে বাধ্য হয়েছি। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি যদি মানা না হয় তাহলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দেব। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে।”

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার মো. নাজমুল হোসেন বলেন, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন একটা সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। তার বিরোধিতা করছে তারা। বিষয়টি নিয়ে তারা কথা বলছেন বলেও জানিয়েছেন মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, “ইস্যুটা হচ্ছে বোর্ড রিকগনিশন দেবে না অস্থায়ী কাউন্সিল দেবে তা নিয়ে। তারা কলেজে আন্দোলন করছিল। আজ এখানে এসেছে। তো আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।”

শিক্ষাবার্তা ডটকম/এএইচএম/০৭/০৭/২০২৫


Discover more from শিক্ষাবার্তা ডট কম

Subscribe to get the latest posts sent to your email.